‘সংবাদ’ একটি ঐতিহ্য, একটি প্রতিষ্ঠান
স ব দ একট ঐত হ য – বাংলাদেশের গণতন্ত্র গড়ে উঠার সংগ্রামে দৈনিক সংবাদ অবদান রেখেছিল অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। দেশের ধর্ম নিরপেক্ষতার ও অসাম্প্রদায়িক স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠায় সংবাদ একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। এটি সংবাদকে একটি ঐতিহ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছিল এবং সংবাদের সঙ্গে আত্মীয়তা অনুভব করি এখনও। সে কারণ আমি জানি না।
১৯৭৯ সালে সংবাদে যোগ দিয়েছিলাম
১৯৭৯ সালে সংবাদে পদ খালি হলে আমি লিখিত পরীক্ষার জন্য সাজে ছিলাম। পরীক্ষাটি ভালো হয়েছিল এবং আমি নিয়োগ পেয়ে এর বার্তা বিভাগে যোগ দিয়েছিলাম তারপর দিন। সেই খবরটি পরদিনই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার মাঝে রাতের শিফটে কাজ করা ছিল আমার সম্মতি। তখন কোনো পত্রিকায় মেয়েদের রাতে কাজ করতে দেখা হতো না। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে মেয়েদের অস্তিত্ব স্বীকৃত হয়নি তখন।
সংবাদ অফিসের ঠিকানা ছিল ২৬৩ বংশাল রোড। এখন বলা দরকার আবুল হাসনাত তো সংবাদে সাংবাদিকতা করেছেন ১৯৬৫ সাল থেকে। আমার সাথে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা দেখে ওঁর পরিচয় ছিল বড় স্পষ্ট। আমাদের বিয়ে হয়েছিল হাসনাতের কাছে ইতোমধ্যে ১৯৭৪ সালে। এই সময় ওঁর কাজ ছিল সাহিত্য সম্পাদকের পদ।
সংবাদের ইতিহাস ও সাংবাদিক স্টাফ
১৯৫১ সালের ১৭ মে দৈনিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। তখন সংবাদ ছিল প্রথম বাংলা ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকা। তার আগে পত্রিকা হিসেবে ইত্তেফাক, আজাদ, ইত্তেহাদ, মিল্লাত ইত্যাদি ছিল।
তার আগের পত্রিকা ছিল ইত্তেফাক, আজাদ, ইত্তেহাদ, মিল্লাত ইত্যাদি।
সংবাদের মাস্টহেড করেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী কামরুল হাসান। আমি সংবাদে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় কবিতাও লিখেছি। সে সময় সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন রণেশ দাশগুপ্ত। তিনি আমাদের সবসময় উৎসাহ দিয়েছিলেন। আমার কাছে ওঁর স্নেহ খুব মূল্যবান।
১৯৭৯ সালে আমি নিউজ ডেস্কে যোগ দিয়েছিলাম সাথে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য। তখন নিয়ম ছিল দুপুর, সকাল ও রাতের শিফট ছিল। রাতের শিফটে আমাকে প্রথমে দুটি শিফট করে দেয়া �