নজরুলের গান নিয়ে এলেন বর্ণালী সরকার | সংবাদ
নজর ল র গ ন ন য় – বিশ্ব সংগীত দিবসে কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ নতুন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। গানটি কমল দাশগুপ্তের সুরে রচিত হয়েছে এবং নজরুলের গান নিয়ে সংগীত সৃষ্টি করেছেন বর্ণালী সরকার। গত ২১ জুন অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সংগীত অনুষ্ঠানে কণ্ঠ ও সেতারের সমন্বয়ে বর্ষার সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির বৈচিত্র্য আরও সুন্দর ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। নজরুলের গান নিয়ে সংগীত শিল্পীদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শ্রোতাদের জন্য নতুন প্রতিভা উপস্থিত হয়েছে।
নতুন আঙ্গিকে প্রকাশিত গানের সংগীত রূপায়ণ
গানটি রচনা করা হয়েছে যুগলবন্ধনের মাধ্যমে, যেখানে বর্ষার রাগ ‘মেঘ’ এবং নজরুলের গান নিয়ে কালজয়ী সংগীতের সমন্বয় করা হয়েছে। বর্ণালী সরকার এবং শ্রাবণের সংগীত শিল্পীদের মিলিত করে আবহকে শ্রোতাদের কাছে আরও ভাবুক ভাবে পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা করা হয়েছে। গানে পাখাওয়াজ ও তবলার সহায়তায় সুর আরও জীবন্ত হয়েছে, যেখানে রবীন্দ্রনাথ পাল ও কৌশিক আহমেদ নজরুলের গান নিয়ে অংশ নিয়েছেন। শব্দ মিশ্রণ ও চূড়ান্ত সংযোজনের দায়িত্ব ইফতে খাইরুল আলম শুভের কাছে সম্পাদিত হয়েছে।
নজরুলের গান নিয়ে এই সংগীতায়োজন বিশ্ব সংগীত দিবসের মূল্যবোধ প্রকাশ করার জন্য চূড়ান্ত উদ্যোগ হিসেবে স্থান পেয়েছে। সংগীত সমাপনের সময় বর্ণালী সরকার একটি উপস্থাপনা দিয়েছেন, যেখানে তিনি বলেন, নজরুলের গান নিয়ে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রোতাদের মন সজীব করে তোলা সম্ভব। গানটির প্রকৃতির নূতন আঙ্গিক এবং কণ্ঠের সুরের মিশ্রণ সংগীত বিশ্বে নতুন আলো ফেলেছে।
বিশ্ব সংগীত দিবসে নজরুলের গান নিয়ে অনুষ্ঠানে আবহকে সংগীত শিল্পীদের মাধ্যমে আরও ভাবুক ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের এই কালজয়ী গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ এবং বর্ষার রাগ ‘মেঘ’ এর সমন্বয়ে অক্ষুণ্ণ সৌন্দর্য রেখে নতুন ধরনের সংগীতায়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। গানটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সকলের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে।
বর্ণালী সরকার এবং শ্রাবণের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ‘কাভার্ড বাই শ্রাবণ’ ও ‘বর্ণালী সরকার’-এ গানটি প্রকাশ হয়েছে। এই সংগীত অনুষ্ঠান মাধ্যমে নজরুলের গান নিয়ে শ্রোতাদের মনে অক্ষুণ্ণ আবেগ জাগানোর চেষ্টা করা হয়ে