নারায়ণগঞ্জে ‘১০ হত্যা’: শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিচার শুরু
ন র য়ণগঞ জ ১০ হত য – নারায়ণগঞ্জে জুলাই আন্দোলনের সময়ে প্রাপ্ত প্রমাণ ও মামলার সম্পর্কে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নারায়ণগঞ্জে এ ঘটনার জন্য শামীম ওসমান সহ ১২ জনকে বিচারের জন্য মামলা দায়ের করেছে। এ মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ জুন। নারায়ণগঞ্জের বিচার প্রক্রিয়া বিচারকাজের জন্য আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রদানের পর পর চলছে। আসামিদের পলাতক অবস্থার কারণে তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার ব্যবস্থা
ট্রাইব্যুনাল সদস্যদের মামলা চালানো হয়েছে আগামী ১০ জুন। এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম ও মঈনুল করিম তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের সামনে তাদের অভিযোগ প্রদান করবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার তিন সদস্যের প্যানেলের সদস্যদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ ঘটনার জন্য আসামিদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু ও ডিবিসি সংস্থার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ সহ অন্যান্য ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হয়েছে। আগে আদেশ দেওয়া হয়েছিল ৫ মে তারিখে, কিন্তু বিচারকাজ তা মুলতবি করে দেওয়া হয়। নারায়ণগঞ্জে ‘১০ হত্যা’ মামলার কারণে বিচার প্রক্রিয়া আবার শুরু হয়েছে।
আসামি হিসেবে নাম করা হয়েছে কে কে?
মামলায় নারায়ণগঞ্জে ‘১০ হত্যা’ ঘটনার জন্য আসামি হিসেবে নাম করা হয়েছে শামীম ওসমান, তার ছেলে ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, ডিবিসি সংস্থার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র। এ মামলার অভিযোগ অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে ‘১০ হত্যা’ ঘটনার জন্য মামলা চালানো হয়েছে। তাদের বিচার বিচারকাজের প্রথম দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী দিন।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জে ‘১০ হত্যা’ ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে ও তা বিচারপতি ও বিচারিক প্যানেলের সামনে পেশ করা হবে। আসামির পলাতক অবস্থার কারণে এ ঘটনার প্রতিবেদনে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার চলছে। নারায়ণগঞ্জে ‘১০ হত্যা’ মামলার জন্য তাদের কাছে কোনো প্রতিবেদন ও বিচারের জন্য আসামির অনুপস্থিতি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিচারকাজ ও