খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়াল
খ ব র র খ জ ল – খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়ালের সংখ্যা এখনও বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে পাঁচটি মেছো বিড়াল উদ্ধার করা হয়েছে এবং সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। খাবারের সংকট এবং আবাসস্থল কমে যাওয়ার কারণে এই প্রাণীগুলি লোকালয়ে চলে আসছে। এদের মধ্যে কিছু স্থানীয় মানুষ এদের মেছো বাঘ বলে মনে করছেন এবং মুরগি খাওয়ার জন্য হত্যা করছেন। খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়াল সম্পর্কে এখন আরও বেশি আলোচনা চলছে কারণ এদের আবাসন হারিয়ে ফেলার পরিস্থিতি খুব গুরুতর।
খাবারের সংকট ও আবাসন ক্ষীণতা
বনাঞ্চলে গাছপালা কমে যাওয়ায় এবং খাবার পৌঁছে না থাকায় মেছো বিড়ালগুলি খাবারের খোঁজে লোকালয়ে চলে আসছে। এটি তাদের খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়ালের মূল কারণ। বন বিভাগ এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে প্রাণীগুলি অবৈধ হার্বার করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সড়কের পাশে গাড়িচাপায় একটি মেছো বিড়ালের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার পর এলাকাবাসী প্রাণীটিকে পিটিয়ে মারার চেষ্টা করেছিল।
খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়ালের স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, উদ্ধার হওয়া মেছো বিড়ালটি মধ্যবয়সী। খাবারের খোঁজে এটি লোকালয়ে চলে এসেছিল। বন্য প্রাণীদের বিরক্ত না করতে এবং এদের পিটিয়ে হত্যা না করতে বন বিভাগের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের সচেতন করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়ালগুলির সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এদের সাথে মানুষের সংঘাত বাড়ছে।
অন্য একটি ঘটনায় রুবেল মিয়া নামে এক ব্যক্তি পলো নিয়ে ওত পেতে থাকেন। তখন মুরগির ঘরের কাছে আসতেই মেছো বিড়ালটি আটকা পড়ে। ঘটনার পর সেটিকে উদ্ধার করে রাতে আবাসনে ফেরত পাঠানো হয়। খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়াল উদ্ধার করা এবং বন বিভাগের কাজের কারণে কিছু স্থানীয় মানুষ বিবাদ করছেন। তাদের কিছু বলছেন যে বিড়ালগুলি মুরগি খাওয়ার জন্য বিপন্ন হয়েছে।
খাবারের খোঁজে লোকালয়ে বিপন্ন মেছো বিড়ালের ঘটনা কালেক্টর কর্মকর্তা কিছু সূত্র থেকে জানতে