সংসদের চেয়ারে পিন খোলা, কাটছে হাত
স সদ র চ য় র প – নোয়াখাই-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুক সংসদ সদস্যদের বসার চেয়ারের মান নিয়ে গুরুতর আপত্তি উঠিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, চেয়ারগুলো খুবই বেয়াদব অবস্থায় রয়েছে এবং বসতে কষ্ট হয়। হাতে ব্যথা হচ্ছে এবং পেছনের ফাঁকা অংশ স্বাস্থ্য জনিত ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি এ বিষয়ে মত দিয়েছেন।
হাত কেটে যাচ্ছে চেয়ারগুলোর কারণে
ফারুক জানান, চেয়ারগুলো সম্পর্কে সামনে থেকে সমস্যা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পেছনে প্রায় তিন ইঞ্চি ফাঁকা জায়গা আছে যা বসতে কষ্টকর করছে। এগুলো সম্পর্কে আমাদের কোনো সমালোচনা হওয়া উচিত।’ তিনি দাবি করেন, সংসদ সদস্যদের নির্যাতনের শিকার হওয়া হয়েছিল। কারও কোমর নেই, কারও হাতে ব্যথা, কারও পিঠে ব্যথা।
‘এই চেয়ারগুলো সম্পর্কে রেকর্ড খুঁজলে পাবেন, চেয়ারগুলো এত ভারী করা হয়েছিল যেন কেউ তুলে নিক্ষেপ করতে না পারে। লোহার শিকল দিয়ে বাঁধার মতো অবস্থা।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢুকার সময় আপত্তি
ফারুক আরও বলেন, ‘গত দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন, তখন দেখেন পেছনের পিনগুলো খোলা। এগুলো কারণে সবার হাত কেটে যাচ্ছে। প্রত্যেক এমপির হাত কাটা যাচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত সমাধান করার দরকার।’
হাত ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানো রীতির আপত্তি
পয়েন্ট অব অর্ডারে আরও একটি আপত্তি উঠেছিল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের দ্বারা। তিনি দাবি করেন, মাথা নোয়ানোর বিষয়টি ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং শিরকের কাছাকাছি। গত পরশু বিরোধী দলের সদস্য এ বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন।
‘আপনি বলেছেন, রুলস অব প্রসিডিউর পড়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলুন।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাথা নোয়ানোর ব্যাপারে আমি পরবর্তীকালে জানাব।’ তবে চেয়ারের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে একাধিক বিষয় তোলায় ফারুককে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘পয়েন্ট অব অর্ডারে সাধারণত একটি বিষয় থাকে। বাজেট সেশনে পয়েন্ট অব অর্ডার অনুমোদিত না হলেও আমি আজ রিল্যাক্সেশনের জন্য অনুমতি দিয়েছি।’