Bangladesh

‘সংবাদ’ ও তার আদর্শিক সাংবাদিকতা

সংবাদের জন্ম ও আদর্শিক সাংবাদিকতা স ব দ ও ত র আদর - ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্বপাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল একটি দৈনিক পত্রিকা

Desk Bangladesh
Published June 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. সংবাদের জন্ম ও আদর্শিক সাংবাদিকতা
  2. আহমদুল কবিরের জীবন ও কর্মকাণ্ড

সংবাদের জন্ম ও আদর্শিক সাংবাদিকতা

স ব দ ও ত র আদর – ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্বপাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল একটি দৈনিক পত্রিকা সংবাদ। এই পত্রিকার প্রথম প্রকাশ কলকাতা থেকে হয়েছিল এবং পরে তা ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। তখন সংবাদ ছিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হওয়া দৈনিক পত্রিকার সর্বাধিক পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত। পত্রিকার নাম রাখা হত ফার্সি বা উর্দু শব্দে এবং তখন সংবাদ ছিল ইতিহাস সৃষ্টিকারী।

সংবাদের সমর্থন ও প্রতিষ্ঠার স্বাক্ষর

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয় এবং মুসলিম লীগের ভূমিধসের পর সংবাদের মালিকানা পরিবর্তন হয়। প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং ব্যাংকার খায়রুল কবির দায়িত্ব নেন তাঁর অনুজ আহমদুল কবিরকে। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর পত্রিকার মধ্যে নতুন জীবনের শুরু হয়।

সংবাদকে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তাচেতনার মুখপত্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়।

পত্রিকার অঙ্গীকার এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার সম্মিলনে কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি পায়। তার সাথে সামাজিক ও রাজনৈতিক গুণগত প্রতিষ্ঠা হয়। বিশেষ করে বাম ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক আন্দোলনে সংবাদ আকুণ্ঠ সমর্থন দেয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বেই পাকিস্তানি হানাদাররা সংবাদ তার লক্ষ্যে আক্রমণ করে। ঢাকার পুরান বংশাল রোডের সংবাদ অফিসটি পুড়িয়ে দেয়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান সংবাদকর্মী ও কবি শহীদ সাবের। পাকিস্তানি শাসন আমলে সংবাদ কখনও ভয়ে স্বৈরাচারবিরোধী অঙ্গীকার থেকে পিছু হটেনি।

আহমদুল কবিরের জীবন ও কর্মকাণ্ড

১৯২৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন আহমদুল কবির, যার ডাকনাম মনু মিয়া। তাঁর বাবা আবু ইউসুফ লুৎফুল কবির এবং মা সুফিয়া খাতুন। নরসিংদীর ঘোড়াশাল ঐতিহ্যবাহী মিয়া পরিবারে জন্ম হয়। তিনি বিত্ত-বৈভবে বড় হয়েছিলেন এবং তাদানীন্তন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ধারার অগ্রগামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে শিক্ষার পর তিনি রির্জাভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় চাকরি গ্রহণ করেন। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে তিনি কর্মরত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সরকারি চাকরি ছেড়ে তিনি ১৯৫৪ সালে নিজের ব্যবসায় এবং রাজনৈতিক কর্মে সময় দেন।

১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালে তিনি তাদানীন্তন পূর্বপাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সামরিক শাসনের আমলে তিনি নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। আজও সংবাদ তার অনন্য মানের ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল সাংবাদিকতা বজায় রাখে।

সংবাদকর্মীদের অবদান ও মৃত্যু

মুক্তিযুদ্ধে অনেক সংব

Leave a Comment