সিআরসেভেন চার বছর পূর্বে কাতার বিশ্বকাপে খেলোয়াড়ি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান আসরে তার খুব একটা হেরফের হয়নি। অবশ্য এখন তার বয়স এগুলোর মধ্যে বড় পার্থক্য। এই মহাতারকার আয়ুস্থান ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়দের মধ্যে। আজ তিনি ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে চলছেন।
৪১ বছর বয স ও অদম য – ফুটবল ইতিহাসে কোনো খেলোয়াড় ছয়টি বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি গড়ে ওঠেনি। সিআরসেভেন এই রেকর্ড ছুঁয়েছেন। কিন্তু এই আসরে তিনি অন্য দুই খেলোয়াড়ের সাথে যুক্ত রয়েছেন—লিওনেল মেসি এবং গুইলার্মো ওচোয়া। মেসি মাঠে নেমে গেছেন, কিন্তু ওচোয়া এখনো খেলতে পারেননি। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় পর্তুগাল আফ্রিকান প্রতিনিধি কঙ্গোর সামনে চলছে।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সিআরসেভেন এখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রে বিশ্বকাপের সাথে মুখোমুখি হওয়া কিছুটা কাছাকাছি আস্তরণ।
তিনি পর্তুগালের জন্য এক ঐতিহাসিক অধ্যায় প্রস্তুত করছেন। আল-নাসরে খেললেও তার গোল সংখ্যা কমেনি। সামনে এখন তার ১৪৩টি গোল রয়েছে। কোচ রবার্তো মার্টিনেজ ক্যারিয়ারে তার প্রমাণ প্রদান করেছেন—৩০ ম্যাচে ২৫টি গোল। আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলদাতা হিসেবে তিনি ক্যারিয়ারে ১০০০ গোলের কাছাকাছি আসছেন।
“ক্লাব পর্যায়ে অনেক ট্রফি জিতেছি, কিন্তু পর্তুগালের হয়ে জেতার আনন্দের সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না। এটা শুধু আনন্দ নয়, এটা মিশন পূরণের অনুভূতি।”
মার্টিনেজের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রোনালদো বিশ্বাস করছেন যে তিনি নিজের মাঠের পারফরম্যান্সের জোরেই দলে স্থান রাখছেন। বিতর্ক বর্তমান রয়েছে তার পর্তুগাল দলে থাকা না-থাকার বিষয়ে। কিন্তু কোচ নিজের বিশ্বাস জাহির করেছেন।
প্রথম ম্যাচে সিআরসেভেন এবং ডিআর কঙ্গো মুখোমুখি হবে। গুরুত্বপূর্ণ মুখোমুখি হওয়ার আগে দলীয় সতীর্থরাও তার প্রতি আস্থা রাখছেন। ভিতিনহা রোনালদোর সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতাকে গর্বের বিষয়ে বলেন, “তিনি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। প্রতিদিন তার পেশাদারত্ব কাছ থেকে দেখছি, শিখছি। আমরা চাই তার সঙ্গে এবং তার জন্য বিশ্বকাপ জিততে।”
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা ব্রুনো ফার্নান্দেজও সমালোচকদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন, “অনেকে মনে করে রোনালদো না থাকলে আমরা আরও স্বাধীনভাবে খেলতে পারি। কিন্তু সেটা যদি সত্যি হয়, তাহলে সেটাও আমাদের ব্যর্থতা। কারণ ক্রিস্টিয়ানো এখনো আমাদের অনেক কিছু দিতে পারেন।”
বর্তমান পর্তুগাল দলট