Bangladesh

‘সংবাদ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা | সংবাদ

‘সংবাদ’ এবং আমার জীবনের বিচ্ছিন্নতা স ব দ এর সঙ গ স - ‘সংবাদ’ পত্রিকার সাথে আমার গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলে সেটি কত কাজে লাগে সেটা ভেবে চোখ ফেরাই বিস্ময়ে।

Desk Bangladesh
Published June 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : John Brown - banglabeacon.com

‘সংবাদ’ এবং আমার জীবনের বিচ্ছিন্নতা

Banglabeacon.com – স ব দ এর সঙ গ স – ‘সংবাদ’ পত্রিকার সাথে আমার গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলে সেটি কত কাজে লাগে সেটা ভেবে চোখ ফেরাই বিস্ময়ে। গাইবান্ধায় আমার বাস ছিল কিন্তু সংবাদ পড়া বন্ধ হয়নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ও ছিল না এক দিন। ঢাকায় এসে থিতু হয়ে পাঠক হিসেবে সংবাদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি।

নব্বইয়ের দশকের পর থেকে সংবাদ সাধারণ পাঠকের দূরত্ব বাড়তে থাকে। নতুন অনেক দৈনিক আসে। সংবাদ ও অন্যান্য পত্রিকার প্রতিযোগিতার মধ্যে পড়তে হয়। আবার অনলাইনে দৈনিক পত্রিকা ফ্রিতে পড়া যায়। সেই পরিস্থিতিতে সংবাদ আরও চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে।

খেলাঘর পাতা ও প্রতিষ্ঠা

‘খেলাঘর’ পাতার লেখা শুরু হয় আমার কাছে। পরে শিল্প বিভাগে লেখা শুরু করি। সংবাদের বিভিন্ন পাতায় সংগঠনের খবর ছাপানো হতো। আমি হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম, কলেজের ছাত্র। তখন থেকে সংবাদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

১৯৫১ সালের ১৭ মে প্রথম প্রকাশিত হয় ‘সংবাদ’। এর পর বছরে খেলাঘরের জন্ম হয়। তখন খেলাঘর প্রকাশিত হয় সংবাদের সাপ্তাহিক শিশু সাহিত্যপাতায়। ছোট ভাই-বোনদের সাথে একত্রে আসার বিষয়ে লিখেছিলেন আলোচনা।

“এসো গড়ি খেলাঘর, এসো গড়ি বাংলাদেশ”

খেলাঘরের রূপান্তর ও বিকাশ

১৯৬৪ সালে বজলুর রহমান খেলাঘরের ভাইয়া হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর খেলাঘর সমাজভিত্তিক শিশু সংগঠনে রূপ নেয়। মুক্তিযুদ্ধে খেলাঘর প্রতিষ্ঠা করে। খেলাঘর আসর স্থাপনে আমি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হয়ে দায়িত্ব পালন করি গাইবান্ধায় শতদল খেলাঘর আসর। ১৯৭২ সালের ৮ অক্টোবর রণেশ দাশগুপ্তকে সংবাদ পত্রিকার মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আমি এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করি।

খেলাঘর পতাকা উত্তোলন করেন পান্না কায়সার। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী। তাদের দুজনই মুক্তিযুদ্ধে স্বামী হারিয়েছিলেন। সেই সময় আমাদের সংবাদ ও খেলাঘর আত্মপ্রকাশ করে।

স্বাধীন দেশের খেলাঘর আসর

১৯৭৩ সালে খেলাঘরের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বজলুর রহমান ও জিয়াউদ্দীন আহমদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানে আমি ও রন&জু মোস্তফা অংশ গ্রহণ করি। সেই সম্মেলনে খেলাঘরের পতাকা উত্তোলন করেন পান্না কায়সার।

১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত খেলাঘরের রংপুর জেলা কমিটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখি। গাইবান্ধা ও রংপুর এলাকায় নতুন শাখা গঠন করতে সাহায্য করি।

সংবাদ এবং খেলাঘরের গুরুত্ব

খেলাঘর ও সংবাদকে অভিন্ন ভাবতাম। তাদের সত্যিকার অল্প ছি�

Leave a Comment