পরন র ক পড় ছ ড়: লালমোহনে অগ্নিকাণ্ডে দুটি বসতঘর ভস্মীভূত
Banglabeacon.com – পরন র ক পড় ছ ড় ক – বুধবার সকালে ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরলক্ষ্মী এলাকায় শিউলি বাঁটিতে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় দুটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, আগুনে পরন র ক পড় ছ ড় সহ অনেক জিনিসপত্র পুড়ে গেছে।
মাত্র ত্রিশ মিনিটের আগুনে ওই বাঁটির আব্দুল মুনাফ এবং তার মৃত ভাই আলী হোসেনের দুটি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘর দুটির ভেতরের কোনো মালামালই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি: ১০ লাখ টাকার ক্ষতি
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুল মুনাফ শিউলি বলেন, ‘সকালের দিকে ঘর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। কিন্তু ৩০ মিনিটের মধ্যেই আমার আর আমার মৃত ভাইয়ের ঘর দুটি ছাই হয়ে গেল। ঘরে থাকা কাপড়-চোপড়, টিভি, ফ্রিজ, আসবাব ও নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ সব শেষ হয়ে গেছে। তিন বছর আগে ধারদেনা করে ঘর তুলেছিলাম, এখনো ৬ লাখ টাকা ঋণ আছে। এখন সন্তানদের নিয়ে অন্যের ঘরে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।’
সকালের দিকে ঘর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। কিন্তু ৩০ মিনিটের মধ্যেই আমার আর আমার মৃত ভাইয়ের ঘর দুটি ছাই হয়ে গেল। ঘরে থাকা কাপড়-চোপড়, টিভি, ফ্রিজ, আসবাব ও নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ সব শেষ হয়ে গেছে। তিন বছর আগে ধারদেনা করে ঘর তুলেছিলাম, এখনো ৬ লাখ টাকা ঋণ আছে। এখন সন্তানদের নিয়ে অন্যের ঘরে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।
লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ঘর পুড়ে যাওয়ার খবর পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা ও টিন দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তিনি আরও জানান, পরন র ক পড় ছ ড় সহ ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি সহায়তা পাঠানো হবে।
স্থানীয়দের সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। কেউ কেউ খাবার ও পোশাক দিয়ে সহায়তা করেছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। স্থানীয়রা জানান, বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক না থাকলে এমন দুর্ঘটনা ঘটে। তাই দ্রুত বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন অন্যের ঘরে আশ্রয় নিয়েছে। তারা দ্রুত নতুন ঘর তৈরি করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা আশা করছেন। স্থানীয়রা আশা করছেন, পরন র ক পড় ছ ড় সহ সকল ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে।
