প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে হরিদাস চন্দ্রের কারাগার জীবন শুরু Banglabeacon.com – হর দ স এখন ক র গ – চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে, সরকারি বাসভবন ও সেচের পাম্প
প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে হরিদাস চন্দ্রের কারাগার জীবন শুরু
Banglabeacon.com – হর দ স এখন ক র গ – চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে, সরকারি বাসভবন ও সেচের পাম্প সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং বাকিতে পণ্য কিনে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হরিদাস চন্দ্র তরুনী দাসকে—যিনি এখন তাওহীদ ইসলাম নামে পরিচিত—কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা ময়মনসিংহে মানববন্ধন করে তাকে কঠোরতম শাস্তি ও ফেরত নেওয়া অর্থের দাবি জানিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশ ও গ্রেপ্তারের বিবরণ
বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের সামনে ফুলবাড়িয়া উপজেলার প্রতারিত পরিবারের সদস্যরা এই মানববন্ধন আয়োজন করেন। অর্থ পাচার মামলায় গত ১২ জুলাই সিআইডির হাতে ধরা পড়েন হরিদাস। এরপর ফুলবাড়িয়া থানার একটি প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তাকে ময়মনসিংহের যুগ্ম দায়রা জজ (অর্থ ও ঋণ) আদালতে হাজির করা হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার ওই মামলায় আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মোরাম আনোয়ার আজিজ টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ও দাবি
গতকাল দুপুরের মানববন্ধনে ফুলবাড়িয়ার প্রায় ৪০ জন পরিবার অংশ নেন। এই সময়ে বক্তারা হরিদাসকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গোলাম মোরশেদ খান, আব্দুল হালিম মণ্ডল, খাইরুল ইসলাম খান, শফিকুল ইসলাম, আনিছুর রহমান ও মারুফ খান প্রমুখ। তারা ফুলবাড়িয়া উপজেলার শতাধিক প্রতারিত পরিবারের ন্যায্যবিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
অভিযোগ ও তদন্তের বিস্তারিত
ফুলবাড়িয়া উপজেলার মেসার্স শফিক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নের কথা বলে হরিদাস তার প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৩৪০ টাকার নির্মাণসামগ্রী বাকিতে নিয়ে আর মূল্য পরিশোধ করেননি। এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া ৬০ লাখ টাকা আত্মসাত ও চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তারের পর হরিদাসের ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবে প্রায় ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে তার অবৈধ সম্পদের উৎস ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে সিআইডির তদন্ত চলছে।
জীবনবৃত্তান্ত ও বর্তমান পরিস্থিতি
অনুসন্ধানে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর বাসিন্দা হরিদাস ২০১০ সালে ঢাকায় এসি মেরামতের কাজ শুরু করেন। ২০১৯ সালে ধর্ম পরিবর্তন করে ‘তাওহীদ ইসলাম’ নাম ধারণ করেন এবং ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বিয়ে করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন প্রতারণা করে ফুলবাড়িয়ায় বিলাসবহুল রিসোর্ট নির্মাণ করেন। সম্প্রতি গাইবান্ধায় ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে তিনি নতুন করে আলোচনায় আসেন।
Related SEO Topics
Frequently Asked Questions
Apa itu হর দ স এখন ক র গ?
হর দ স এখন ক র গ adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.
Mengapa হর দ স এখন ক র গ penting?
হর দ স এখন ক র গ penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.
Bagaimana cara memakai panduan হর দ স এখন ক র গ ini?
Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.
