প্রেক্ষাগৃহে আসছে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে প্রশংসা কুড়িয়ে মুক্তি পাচ্ছে শেকড় চলচ্চিত্র | সংবাদ
প র ক ষ গ হ আসছ – প্রেক্ষাগৃহে আসছে প্রসূন রহমান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘শেকড়’, যা আগামী ৩১ জুলাই দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়ে দর্শকদের মুখে মুখে প্রচার করা হবে। এই ছবিটির মূল ভিত্তি হল মানুষ ও মাটির চিরন্তন সম্পর্ক এবং সেই সম্পর্ক থেকে উদ্ভূত স্মৃতি ও ভালোবাসার গল্প। বিশ্বাসের কথা বলে রেখে এই চলচ্চিত্রটি সম্পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে আসছে প্রসূন রহমান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে প্রযোজনা ও পরিচালনার পরিশ্রমের ফলে এটি শেষ হয়েছে। এখন ছবির আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী এবং দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পরিকল্পনা চালু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ার ও দেশীয় মুক্তি
চলচ্চিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়েছিল কানাডার টরন্টোতে, যেখানে আন্তর্জাতিক দর্শকদের সাধারণত ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। সেই সাড়ার পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। আগামী ৯ আগস্ট কানাডার চারটি শহরে প্রেক্ষাগৃহে চলবে ছবিটি, এরপর পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে মুক্তি পাবে। ছবির আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী হবে ডিমান্ড ফিল্মের দায়িত্বে, যেখানে দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি দেশে স্প্যানিশ ভাষায় ডাবিং সংস্করণও প্রদর্শিত হবে।
ছবির কাজকর্মীদের ভূমিকা
শেকড় চলচ্চিত্রটি নির্মাণে মানুষ, মাটি ও শিকড়ের সম্পর্কের গল্প ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। দর্শকদের মুখে মুখে সাধারণত এটি বিশ্বাস ও ভালোবাসার স্মৃতি নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসছে সংবাদ দেখানো হবে। নির্মাতা প্রসূন রহমান বলেন, আগামী দেশীয় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে শেকড় চলচ্চিত্রটি বিশেষ সম্প্রদায়ের অনুপ্রাণিত হয়েছে। ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন সাহিল রনি, সম্পাদনা করেছেন মাহফুজুল হক আশিক, শিল্প নির্দেশনা করেছেন তারেক বাবুল এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন রোকন ইমন।
প্রেক্ষাগৃহে আসছে শেকড় চলচ্চিত্রটি সৃষ্টি করেছে ইমেশন ক্রিয়েটর প্রযোজনা করে। ছবির সম্পূর্ণ কর্মশালা ও অভিনয় চালিয়ে যাওয়ার পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এই চলচ্চিত্রটি। তার নির্মাতা প্রসূন রহমান বলেন, মানুষের সৃজনশীল শ্রম ও ভালোবাসার সমন্বয়ে এটি প্রেক্ষাগৃহে আসছে সম্পূর্ণ হয়েছে।
প্রেক্ষাগৃহে আসছে শেকড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মুখ্য চরিত্রগুলো দিলারা জামান, এফএস নাঈম, আইশা খান এবং সমু চৌধুরী। ছবির নির্মাণে একটি সাংঘাতিক প্রচেষ্টা রয়েছে যা প্রেক্ষাগৃহে আসছে একটি মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। সাংঘাতিক সম্পাদনা করেছেন মাহফুজুল হক আশিক ও সংগীত পরিচালনা করেছেন রোকন ইমন।
প্রেক্ষাগৃ