স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পাষণ্ড স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
স ত র ক হত য র – স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পাষণ্ড স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ সংগ্রামী বিচার ঘটে। এ রায়ে একজন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিন যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। স্ত্রীকে হত্যার দায়ে তাদের আসামি ঘোষণা করা হয় যারা নিহত স্ত্রীর মৃত্যুতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই মামলার প্রতিবেদন নারী সম্পর্কে নিয়ন্ত্রণ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং স্থানীয় বিচারপ্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করে।
মৃত্যুদণ্ডের পরিস্থিতি ও বিচারপ্রক্রিয়া
মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি হাফিজুল হককে (৪৫) পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। তিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর এলাকার বাসিন্দা। আদালতে নিহত স্ত্রী হনুফা বেগমের মৃত্যুর দায়ে তার দোষীত্ব প্রমাণ করা হয়। বিচারপ্রক্রিয়ার শেষ পর্বে তার পরিবার এবং বিচারক রহিম সাহেবের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ঘটনাটি ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে ঘটে। এ ঘটনার প্রতি বিচারক কঠিন মন্তব্য করেন বলে জানা যায়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর সরকারি কৌঁসুলি ফজলুল হক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে দুটি মামলার ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় স্বামী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রমাণ প্রদান করা হয়।
অপহরণ ও হত্যার বিস্তারিত বিবরণ
অপহরণ মামলায় তিন যুবক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ঘটনাটি ঘটেছিল ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে সদর উপজেলার হরিপুর এলাকায়। একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ করে তাকে পুলিশ গাজীপুর থেকে উদ্ধার করে। আসামি জালাল মিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই ঘটনার প্রতি স্থানীয় বাসিন্দারা বিশেষ ভাবে ধ্যান করেন।
আদালতে রায় ঘোষণার সময় দুটি মামলার দোষী চার জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সাদেক মিয়া (২৫) ও জালাল মিয়া (২৮) এবং শামীম (৩০) নামে পরিচিত। স্ত্রীকে হত্যার দায়ে হত্যার বিষয়টি বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মামলার প্রতিবেদনে স্বামী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে তীব্র সাক্ষ্য অন্�