Bangladesh

হায়াৎ মামুদের সংস্কৃতি-ভাবনা | সংবাদ

হায়াৎ মামুদের সংস্কৃতি-ভাবনা সংবাদ হ য় ৎ ম ম দ র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমকালীন সমালোচনার সামগ্রিক প্রবন্ধধারায় হায়াৎ মামুদ এক প্রকাণ্ড স্বাক্ষর রেখেছেন।

Desk Bangladesh
Published July 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হায়াৎ মামুদের সংস্কৃতি-ভাবনা

সংবাদ

হ য় ৎ ম ম দ র – বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমকালীন সমালোচনার সামগ্রিক প্রবন্ধধারায় হায়াৎ মামুদ এক প্রকাণ্ড স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি প্রাবন্ধিক, অনুবাদক, গবেষক এবং শিশুসাহিত্যের সম্মানিত শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত। তাঁর চিন্তাভাবনা বাঙালি জাতিসত্তার ঐতিহাসিক পরিচয় ও সংস্কৃতিক স্বাধীনতার মূল ধারণা তুলে ধরেছে।

বর্তমানে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশে জাতীয় সংস্কৃতির নিরাপত্তা আলোচনার প্রয়োজন হয়েছে। বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তি নির্ভর জীবনের প্রভাবে সমাজে সংস্কৃতি প্রতিকূল পরিবেশে পতিত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি সংস্কৃতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুকরণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা সংস্কৃতি বৃদ্ধির পথে বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

হায়াৎ মামুদ লিখেছেন, “নিজস্ব সংস্কৃতিতে বহিরাগত সংস্কৃতির অবাঞ্ছিত অনুপ্রবেশ বাহ্যত দৃষ্টিগ্রাহ্য যে সকল কর্মপ্রবর্তনায় রূপায়িত হয় সেগুলোকেই আমরা অপসংস্কৃতি হিসেবে নির্ধারণ করি” (সংস্কৃতি ও প্রসঙ্গান্তর)।

তাঁর সাহিত্যিক চিন্তা মানবতাবাদ, যুক্তিবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতি স্থায়ী বিশ্বাস রেখেছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি এক জটিল অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে জাতীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়েছে। তাঁর প্রবন্ধগুলো অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, যেগুলো পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে সংকলিত হয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতিবিষয়ক মূল আলোচনা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে বঙ্গাব্দে ১৪১৯ সালে।

সংস্কৃতি হল জাতির সামষ্টিক মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের প্রকাশ। এটি ভাষা, সাহিত্য, শিল্প এবং জীবনবোধের সমন্বয়। বর্তমানে অপসংস্কৃতির ধারণা দ্বারা জাতীয় ঐতিহ্যের স্বাতন্ত্র্য পরিচয় সৃষ্টি করছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে সমস্ত বিদেশি সংস্কৃতি অপসংস্কৃতি নয়; এটি সাংস্কৃতিক প্রভাব যখন নিজস্ব ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ন করে।

সংস্কৃতির বিকাশ হল একট

Leave a Comment