Bangladesh

সরকার আমিনের ‘ঘোড়াহাসে’: দাহ ও দহনের কুহক | সংবাদ

হ ও দহনের কুহক সরক র আম ন র ঘ ড় - যদিও সকলেই সুখে থাকে বলে মনে হয়, কোন সময়ে সর্বগ্রাসী আগুন শান্তি ধ্বংস করে ফেলে, কেউ এটা আন্দাজ করতে পারে না। তখনই তো

Desk Bangladesh
Published July 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সরকার আমিনের ‘ঘোড়াহাসে’: দাহ ও দহনের কুহক

সরক র আম ন র ঘ ড় – যদিও সকলেই সুখে থাকে বলে মনে হয়, কোন সময়ে সর্বগ্রাসী আগুন শান্তি ধ্বংস করে ফেলে, কেউ এটা আন্দাজ করতে পারে না। তখনই তো প্রশ্ন জাগে— কোথায় যাচ্ছে পাখি, ফেলে তার ডানা! এই কার্যকরণের আপাত উৎসহীনতা আমাদেরকে হতবিহ্বল করে।

তখনই হয়তো সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঘোড়া হাসে। কবি সরকার আমিনের সর্বসাম্প্রাতিক কাব্যগ্রন্থ হলো ‘ঘোড়াহাসে’। নামকবিতায় তিনি লিখেছেন, ‘হোক ভোট! লালজামা দেখে ছুটে যাক স্পেনের ষাঁড়! রয়ে যাব আমি মহাকালের প্রিজাইডিং অফিসার!’

‘পাথরে চাষ করা যায় না। মাটি লাগে। আমি পাথরে বীজ রোপণ করেছি। পাথর, আশা করি, কথা বলা শিখবে। পাথর, আশা করি, হাঁটতে শিখবে। পাথর, আশা করি বঙ্গ-মাতৃক হৃদয় হবে।’

সাধারণভাবে ভাবলে এ তো এক অসম্ভব কল্পনা। কিন্তু কবি বলেই সম্ভাব্যতার বীজ বুনেছেন। এই বীজ ব্যর্থ হয়ে গেলে শিল্প ব্যর্থ হয়ে যাবে। স্বপ্নও ব্যর্থ হয়ে যাবে। আর স্বপ্ন ব্যর্থ হয়ে গেলে সব কিছু শূন্য হয়ে যায়। শূন্যতার ভেতরে শূন্যের অগণন ঢেউ শুধু ধ্বংসই আনবে। সৃষ্টি করবে না।

বিশেষ কবিতাগুলোতে ব্যবহৃত শব্দ গুলোতে ওই ভিন্নার্থের সুর বাজতে দেখি প্রায়শই। যেমন ‘নুড়ি টোকাতে টোকাতে সমুদ্রকে ভুলে গেলাম’ কবিতাটির ভেতরে নিহিত কত-না কথা ও দার্শনিক প্রক্ষেপণ। ধুলো ও ধোঁয়া কবিতায় লিখেছেন, ‘রক্তাক্ত প্রান্তর শেষ হলে প্রচুর ধুলো ও ধোঁয়া দেখা যায়।’

সাধারণ ও স্বাভাবিক দৃশ্য বলেই মনে হবে। অথচ এর গভীরে রয়েছে অন্যবিধ ব্যঙ্গ ও পর্যবেক্ষণ ভঙ্গি। ধোঁয়া একসময় কেটেও যায়। তখনই না পরিষ্কার হয়ে ওঠে আসল উদ্দেশ্য ও বিধেয়।

ধুলোর কথাও বলেছেন। ধুলো উড়লে গায়ে এসে পড়ে, চোখে মুখে চোলেও এসে পড়ে। ধূলিঝড়ও হয়। তখন চেহারা তার আসলরূপ দেখায় না। ওই ধুলো ঝাড়তে হয়। তবেই না বের হয়ে আসে আসল চেহারা। কেউ কেউ চোখে ধুলো দিতে পারে। খানিক পরেই বের হয়ে আসে আসল চেহারা। এই চেহারা ধূলির ছোপ দেওয়া যেমন তেমনি ধুলাক্রান্ত ব্যক্তির তেমনি সমাজকে ধূলিময় করে দেয়া ব্যক্তিরও।

নানা রকম কৌশল ও প্রবণতা ছাপিয়ে কবিতায় ব্যবহৃত দার্শনিক শব্দটাই ভিন্নার্থে ব্যবহৃত হতে দেখি। একটি শব্দকে প্রচলিত অর্থ থেকে মুক্ত করে অন্য অর্থের প্রতিনিধি করে তুলতে না পারলে কবি হওয়া যায় না।

‘বারজাখ’ কবিতার শেষ চরণ যেমন, ‘আমরা দার্শনিক কারণ আমরা মূলত দর

Leave a Comment