বাকলিয়া শিশুধর্ষণ মামলার রায় আজ প্রকাশ হবে
মামলার প্রসঙ্গ এবং প্রতিক্রিয়া
ব কল য় র শ শ ধর – বাকলিয়া শিশুধর্ষণ মামলার রায় আজ চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়া থানায় ঘোষণা করা হবে। বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় মামলার বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা রায় প্রকাশ করবেন, যার পূর্বে মঙ্গলবার যুক্তিতর্ক পূর্ণ হয়েছে। এই মামলার মূল প্রসঙ্গ বাকলিয়া শিশুধর্ষণ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের উত্তেজনা কেন্দ্রিক হয়ে আসছে।
মামলার আসামি মনির হোসেন (৩০) প্রতিদিন বাকলিয়া থানার মিয়াখাননগরে কাজ করতেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রাম নগরে স্থায়ী হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার পর সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং প্রমাণ সংগ্রহের জন্য সরকারি তদন্ত চালু হয়।
গত ২১ মে বিকালে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটে বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনা। নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠসংলগ্ন গুদামকক্ষে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান মামলা করেন বাকলিয়া থানায় এবং ঘটনার পর স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভিড় গড়ে ওঠে।
তদন্ত এবং আদালতের প্রসিকিউশন শাখার ভূমিকা
বাকলিয়া শিশুধর্ষণ মামলায় সাক্ষী সংখ্যা গত ৪ জুন পর্যন্ত তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ এবং পরিদর্শক (তদন্ত) বাকলিয়া থানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তদন্ত প্রক্রিয়ায় মোট ১৮ জন সাক্ষী জমা দেন বাকলিয়া শিশুধর্ষণ মামলায়। বিচারকের আশা রয়েছে যে বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার প্রতি আসামি সর্বোচ্চ শাস্তি পেবেন।
বিকালে ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নামে এবং বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার স্থানে ভবনটি অবরুদ্ধ করে রাখেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তার সাথে স্থানীয় বাসিন্দারা বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার প্রতি অপ্রতিহত আবেগে প্রতিক্রিয়া দেয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয় রাত সাড়ে ১০টার পর। অতিরিক্ত এপিবিএন সদস্য পাঠানো হয় বাকলিয়া শিশুধর্ষণ মামলার নিয়ন্ত্রণের জন্য।
রাত ১২টার দিকে বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার স্থানে মূল সড়কে জনতা ঘেরাও করে। পুলিশের সাথে সংঘটিত বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জনতা গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পৌঁছতে চেষ্টা করে।
বাকলিয়া শিশুধর্ষণ ঘটনার পর সম্প্রদায় সম্পূর্ণ উত্তেজিত হয়েছে। পুলিশের সাথে বাকলিয়া শিশুধর্ষণ মামলার বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমার প