টিএসসিতে রাত জেগে মেসি পাগলদের মিলনমেলা
ট এসস ত র ত জ গ – ফুটবল বিশ্বকাপের নতুন একটি বড় ঘটনা রাতে ঘটে গেল। আলজেরিয়া-আর্জেন্টিনা ম্যাচ কেন্দ্র করে ভোরের অন্ধকার কাটতে প্রাণের উৎসবে মেতে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণ। দুই দলের সমর্থকরা সকালের আগেই জড়ো হতে থাকেন খেলার প্রতীক্ষায়। টিএসসি যেন অন্য রূপ পেয়েছে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকার সমারোহে।
বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাতটায় খেলা শুরুর আগে টিএসসি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় উৎসুক সমর্থকদের ভিড়ে। কেউ কেউ রাত থেকেই অবস্থান করছেন এখানে। ফ্রান্স-সেনেগালের ম্যাচ দেখে আর হলে ফিরিনি বলেন রেহান রাফি। তিনি আর্জেন্টিনার ম্যাচের অপেক্ষায় সকালে অপেক্ষা করছেন। ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আজ আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পাবে এই আশায় বসে আছি বলেন তিনি।
ফ্রান্স ও সেনেগালের খেলা দেখে আর হলে ফিরিনি। সকাল সাতটায় আর্জেন্টিনার খেলা দেখার জন্য অপেক্ষা করছি। আমি ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আজ আর্জেন্টিনা পেনাল্টি পাবে এই আশায় বসে আছি।
লালবাগ থেকে টিএসসিতে খেলা দেখতে আসা গালিবের চাওয়াও আর্জেন্টিনার জয়। তিনি বলেন, ‘গত আসরের মতো এবারও আর্জেন্টিনা কাপ জিতবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। যেহেতু এটি মেসির শেষ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে, তাই ফুটবলের এই জাদুকরের হাতেই কাপ উঠুক, সেটাই চাই।’
আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা ছেলেদের মধ্যে শুধু সীমাবদ্ধ নয়, মেয়েদের কাছেও পৌঁছেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী কুয়াশা কেয়া বলেন, ‘সারারাত ঘুমাইনি আর্জেন্টিনার খেলা দেখব বলে। অনেক উৎসাহ নিয়ে আমি ও আমার বান্ধবীদের বসে আছি। আর্জেন্টিনা আজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে, এটাই আমার প্রত্যাশা। বিশেষ করে মেসির পায়ে গোল দেখতে পারলে খুব ভালো লাগবে।’
টিএসসি প্রাঙ্গণে ফুটবল বিশ্বকাপের দৃশ্য নতুন নয়, কিন্তু মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপে নামতে পারলে উন্মাদনা আরও বেড়ে যায়। রাতভর জেগে, ক্লাস ফেলে, পড়া বাদ দিয়ে- সবাই যেন এক হয়ে গেছেন শুধু একটি গোলের আশায়। মেসির গোল, আর্জেন্টিনার জয়- এ যেন তাদের নিজস্ব প্রাপ্তি। এ