Bangladesh

ট্যাক্টফুল আমলাতন্ত্র বনাম জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র

ট্যাক্টফুল আমলাতন্ত্র বনাম জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র ট য ক টফ ল আমল তন - যখন আমি সরকারি চাকরি গ্রহণ করি, অগ্রজ ও সহকর্মীদের থেকে প্রথম যে কথাগুলো শুনি তা হলো

Desk Bangladesh
Published July 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ট্যাক্টফুল আমলাতন্ত্র বনাম জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র

ট য ক টফ ল আমল তন – যখন আমি সরকারি চাকরি গ্রহণ করি, অগ্রজ ও সহকর্মীদের থেকে প্রথম যে কথাগুলো শুনি তা হলো- ‘ট্যাক্টফুল হও’। ট্যাক্ট শব্দটির সঙ্গে তখনো আমার পরিচয় ঘটেনি। অভিধান ঘেঁটেঘুটে আমি এর পরিষ্কার মানে খুঁজে বের করতে পারিনি। ৩০ বছর চাকরি করেও ট্যাক্টফুল কাকে বলে, কত প্রকার ও কী কী বুঝতে পারিনি।

ট্যাক্টফুল হওয়ার কথা মনে হয়েছে দোষের কিছু

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কবিতার উক্তির মতো-

‘নাদের আলী আমি আর কত বড় হবো? আর কত বড়ো হলে নাদের চৌপ্রহরের বিল দেখাতে নিয়ে যাবে দাদা ঠাকুরের মতো আর কতকাল চাকরি করলে আমি ট্যাক্টফুল হবো, হতে পারতাম তা?’

ট্যাক্টফুল হওয়া মানে কি সত্যের সঙ্গে আপস করার অপর নাম? কর্মকর্তা কি শুধুই পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলবেন, নিজের চাকরি বাঁচাবেন আর ক্যারিয়ারের কথা ভেবে ভেবে প্রতিনিয়ত দায়িত্ব ও কর্তব্যের কথা ভুলে যাবেন, নাকি প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠিত স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থ দেখবেন?

সিলেটে প্রমাণ হিসাবে সারোয়ার আলম

সম্প্রতি সিলেটে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা এই প্রশ্নগুলোকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে। জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান জনাব সারোয়ার আলম। মোবাইল কোর্ট এবং র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করতে গিয়ে তিনি পাদপ্রদীপের সামনে আসেন। সাধারণ মানুষের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তাঁর কাজের জেরে। সিলেট রেলের টিকেট কালোবাজারী বন্ধ করার জন্য তিনি কঠোর ব্যবস্থা নেন। সাধারণ জনগণের আস্থাভাজন প্রশাসক হিসেবে তিনি নিজেকে তোলে ধরতে সক্ষম হন।

অনেকগুলো ভালো কাজ করতে গিয়ে তিনি স্বার্থান্বেষী মহলের চক্ষুকূলে পরিণত হন। তারা তাকে ঘায়েল করার একটা মোক্ষম সুযোগ খুঁজছিলেন। সাতশ বছরের পুরানো হযরত শাহজালালের মাজার। সিলেটর ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রধান আকর্ষণ। হযরত শাহজালালের মাজারকে কেন্দ্র করেই সিলেট শহর গড়ে উঠেছে। দেশবিদেশে হাজার ভক্ত প্রতিদিন মাজারে ছোটে আসেন বিভিন্ন মানত নিয়ে। তারা খালি হাতে আসেন না। টাকা-পয়সা ও সোনাদানা সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। মাজারের বড় ডেগে তারা মানতের টাকা পয়সা ও সোনাদানা ফেলেন। মাজারের খাদেম নামে একটা গোষ্টী �

Leave a Comment