নদীভাঙনের শিকার মানুষের পাশে দাঁড়ান
নদ ভ ঙন র শ ক র – কুড়িগ্রামের চিলমারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদীর বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে বিস্ময়ের বিষয়। গত সাত দিনে কমপক্ষে ৭০টি পরিবার বাড়ি হারিয়েছে এবং প্রায় ৩০০টি পরিবার আরও ধ্বংসের আশঙ্কায় রয়েছে। এই শিকার হয়েছে নয়, বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ভূমি অফিস এবং বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
রাজারহাটে তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ উদ্বিগ্ন। তাদের জীবন অবশ্য ভাঙনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছে। বারবার ভাঙনের শিকার হচ্ছে কিছু পরিবার এবং তাদের পক্ষে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বাড়ি হারিয়ে মানুষ প্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মুখে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে।
ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই। ভুক্তভোগীরা বলেন, তাদের প্রধান আবেদন হলো নিরাপদ বসতি গড়ে তোলার জন্য টেকসই সুরক্ষা প্রকল্প অবশ্যই আয়োজন করতে হবে।
প্রশাসন নিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর সমন্বয় করা প্রয়োজন। স্থায়ী নদীরক্ষা প্রকল্প অনুসারে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে কাজ শুরু করতে হবে। নদীর গতিপ্রকৃতি ও পলি প্রবাহ বিবেচনায় সেই প্রকল্প পরিচালনা করা জরুরি।
জরুরি সুযোগ হারানো পরিবারদের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনা খাবার ও চাল সহ আবশ্যিক সাহায্য প্রদান করা হচ্ছে। তবে সেগুলো শেষ কথা নয়। মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগসূচিকা নিশ্চিত করে তাদের পুনর্বাসন করতে হবে।
আরও পড়ুন
এইচএসসিতে ঝরে পড়ার উদ্বেগজনক চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। ফরিদগঞ্জের খাল উদ্ধারের জন্য বিদ্যালয়ের অপেক্ষায় তিন গ্রাম প্রস্তুতি নিশ্চিত করে সুবিধা হারানোর আগে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ করা হয়েছে।
বিজ্ঞান শিক্ষকদের সামনে কানাডার দাপট প্রকাশ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আর্ধে মরক্কোর বাজিমাত বিশ্বমঞ্চে মিশরে