সঙ্গীত জীবনের রজতজয়ন্তী পেরিয়ে স্বীকৃতির নতুন প্রেরণা
সঙ গ ত জ বন র রজতজয়ন – নওগাঁ থেকে উঠে এসেছেন শাহনাজ রহমান স্বীকৃতি, যিনি বাংলা গানের জগতে দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিজেকে নির্ভরযোগ্য স্থানে স্থাপন করেছেন। প্লেব্যাক, মৌলিক গান ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তার ক্যারিয়ারের এক সময় অসুস্থ হয়ে পড়লেও হতাশ হননি তিনি।
সেই কঠিন সময়ে শিল্পীদের প্রতি অবিশ্বাস ছাড়া সহায়তা করেন তিনি। দেশের তিন কিংবদন্তি শিল্পী ফেরদৌসী রহমান, রুনা লায়লা এবং সাবিনা ইয়াসমিন তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের অনুপ্রেরণায় তিনি আবারও গানের মাঠে ফিরে আসেন। তার গানে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পানের জর্দ্দা’।
সর্বশেষ ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তছনছ’ চলচ্চিত্রে গাওয়া গানটি দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। পাশাপাশি তার অন্য মৌলিক গান ‘বাজে মনে বীণ’ ক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। প্রতিটি সঙ্গীত প্রকাশনার পেছনে তিনি নিজের সাহস ও জ্ঞান দিয়েছেন।
বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার উপস্থিতি চিরদিনের আশা। যুক্তরাষ্ট্রে তিনি ২৯ বার সংগীত পরিবেশনা করেছেন। জাপান, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, সিঙ্গাপুর, কাতার ও মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রোতাদের প্রতি তার আমন্ত্রণ দিয়েছেন।
তার সুরে হাতেখড়ি হয়েছে মা রমিসা বেগম এবং বড় বোন ফেরদৌসীর কাছে। পরবর্তীতে তার কণ্ঠ নির্ভর করেছে ভবেশ চন্দ্র দাস, হেলাল, রঘুনাথ, বাবলু, সুনীল কুমার মণ্ডল এবং খন্দকার নূরুল আলমের প্রতিভা ও তালিমে।
২০০০ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘হৃদয়ে শিহরণ’ প্রকাশিত হয়। এরপর আরও সাতটি অ্যালবাম তৈরি করেছেন। অনেক শিল্পী তার জন্য সম্মান প্রকাশ করেছেন।
সঙ্গীতজীবনের এই দীর্ঘ পথচলা প্রসঙ্গে স্বীকৃতি বলেন, “২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি এই দেশের কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। এই ভালোবাসার কোনো তুলনা হয় না। আমি আজীবন সঙ্গীতকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাই। সামনে আরও ভালো কিছু গান শ্রোতাদের উপহার দিতে চাই। আগামী ১১ জুলাই আমার জন