বিদেশি চক্র গ্রেপ্তার হওয়া পরে চীনা নাগরিকদের আবারও দুই দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে
ক ট ক ট ট ক ল – ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকি চীনা নাগরিক চক্রের পাঁচ সদস্যকে আবারও দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। এই আসামিরা হলেনঃ এমএ জি, ঝাং জিয়াহাও, লিও জিঞ্জি, ওয়াং শিবো এবং জেমস ঝু। অন্য তিন আসামি চাং তিয়ানতিয়ান, মো. কাউসার হোসেন এবং মো. আব্দুল-কারিমকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রক্রিয়া নিয়ে প্রসিকিউশন পুলিশের এএসআই রেজাউল করিম বলেন
পাঁচ আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীদের রিমান্ড বাতিল করে জামিন চেয়েছিলেন। বাকি তিন আসামি জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ড এবং জামিনের বিরুদ্ধে আদেশ দেন।
“পাঁচ আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিন চেয়েছিলেন। জামিন চেয়েছিলেন বাকি তিন আসামির। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে এবং জামিনের বিরোধীতা করে।”
অভিযোগের বিস্তার এবং সাইবার টিমের প্রতিবেদন
রিমান্ডে রয়েছে চীনা নাগরিকদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে যাতে প্রতারণার কৌশল এবং পাচার হওয়া টাকার উৎস খুঁজা যায়। দুই দিনের রিমান্ড শেষে আট আসামিকে আদালতে হাজির করে ফের রিমান্ডের আবেদন করেন ডিএমপি ডিবির সাইবার টিমের সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম।
অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল চক্রের সদস্যদের
রাজধানীর উত্তরা এবং তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চীনা চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের সাইবার টিমের এসআই সুব্রত দাশ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চক্রের ভয়াবহ প্রতারণার কৌশল উন্মোচন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা জানান, চক্র নজরদারি করতে গিয়ে ফেইসবুক, ইউটিউব, টেলিগ্রাম এবং ভুয়া ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার বিজ্ঞাপন ও ডিপোজিট বোনাসের প্রলোভন ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেনের তথ্য সামনে আসে। এসব ওয়েবসাইট সাধারণ মানুষকে স্বল্প সময়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ লাভের আশায় ফাঁদে পড়তে চাইছিল।