হাব নেতারা হজ ভাড়া কমানোর দাবি জানালেন
হজ র ব ম ন ভ ড় – গতকাল সকালে রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার বলেন, হজের বিমান ভাড়া যদি ১ লাখ টাকায় নামিয়ে আনা হয়, তাহলে সাধারণ যাত্রীদের আর্থিক চাপ কমে আসবে। তিনি বলেন, বর্তমানে হজযাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যার কারণে মোট খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
‘হজ ডেডিকেটেড ফ্লাইটের নামে বিমান সংস্থাগুলো হজযাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৫৪ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। এই মনোপলি বা একচেটিয়া ব্যবসার কারণে সাধারণ মানুষের উপর আর্থিক চাপ বাড়ছে,’ বলেন তিনি।
স্বাক্ষরণে হাব নেতারা আরও জোর দেন যে সৌদি সরকারের নতুন নির্দেশনার কারণে বর্তমান হজ ও ওমরাহ আইন সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সংগঠনের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এবার মোয়াল্লেম চুক্তি, বাড়ি ভাড়া, ট্রান্সপোর্ট চুক্তি এবং তাঁবু নির্বাচনের কাজ করতে হয়েছে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়েও শেষ পর্যন্ত ধর্ম মন্ত্রণালয়, হজ অফিস ও হাবের যৌথ সহযোগিতায় ব্যবস্থাপনা সফল হয়েছে।
হজ ফ্লাইটের খরচ নিয়ে আলোচনা
হজ ফ্লাইটের খরচ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ফরিদ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ থেকে কোনো ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয় না। অথচ বিমানভাড়া নেয়া হয় ডেডিকেটেড ফ্লাইটের নামে। সে কারণে বিমানভাড়া আরও কম ও যৌক্তিক হওয়া উচিত।
‘সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশ থেকে কোনো ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয় না। শিডিউল ফ্লাইটগুলোকে তারা ডেডিকেটেড ফ্লাইট হিসেবে ঘোষণা করে বিমানভাড়া আরও বেড়ে যাচ্ছে,’ জানান তিনি।
সরকারের সঙ্গে কথা বলেছে হাব নেতারা। তারা আশা করছেন যে ২০২৭ সালে হজযাত্রীদের টিকেটের দাম কমতে পারে। বর্তমানে টিকেটের দাম যদি ১ লাখ টাকার মধ্যে আনা হত, তাহলে আপনাদের কোটা পূরণ করতে পারতো, বলেন সৈয়দ গোলাম সরওয়ার।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নেতারা আশ্বস্ত করেন, ভিসা এবং ফ্লাইট সংক্রান্ত জটিলতাগুলো কেটে যাওয়ায় দেশের সব হজযাত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে নিরাপদে পৌঁছাতে পারবেন। এবার বিমান চলাচলে কোনো বড় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই।