মনোনয়ন বাতিল হওয়া আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের আহ্বান
মন নয়ন ব ত ল হওয় আইনজ – সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আগামী ১৩ ও ১৪ মে পরিচালিত নির্বাচন থেকে বাদ পড়া ৪১ জন আইনজীবীকে অস্বাভাবিক ভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে সম্পাদক পদপ্রার্থী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম অভিযোগ তুলে আসন্ন নির্বাচনে বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে সংবিধান অনুসারে মনোনয়নপত্র প্রদানের পর অনুষ্ঠিত প্রক্রিয়াতে এসব আইনজীবীকে অবৈধ ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ইতিহাসে এরকম ঘটনা এবারই প্রথম। ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে একটি গোষ্ঠী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “এটি শুধু অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম নয়, বরং আইনজীবী সমাজে মর্যাদা ও ঐক্যের পরিপন্থী। কোনো অবৈধ শর্তে সহকর্মীদের নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”
নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করেছে
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে যে দেশের সংবিধান ও নির্বাচন নিয়ম অনুসরণ করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরও এই সংখ্যক আইনজীবীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বারের ঐতিহ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলির আনুষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রয়োজন হয় না।
“যখন নির্বাচনের ফল আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে গেছে, তখন সমিতির বহু টাকা ব্যয়ে এই প্রক্রিয়া কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই প্রহসন মনে হয়। যাদের নির্বাচনের জন্য উপস্থিত হচ্ছে, তাদের নাম সরাসরি ঘোষণা করলেই সম্পূর্ণ অর্থ অপচয় রোধ করা যেত।”
আরো অনুরোধ করা হয়েছে সাধারণ আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা। তিনি জ্ঞাপক করেন যে আদালতে আসুন, মক্কেলের মামলা পরিচালনা করুন এবং স্বাভাবিক পেশাগত কাজে অংশ নিন। কিন্তু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অনুগ্রহ করে না প্রবেশ করুন।