১৬ কোটি মানুষের হাতে ৩২ কোটিরও বেশি সচল সিম
সংবাদ
১৬ ক ট ম ন ষ র – বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ মোবাইল সিম সচল হয়েছে। এখন দেশে বৈধ ও নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা মোট প্রায় ৩২ কোটি ৮২ লাখে পৌঁছেছে। এই বৃহৎ সংখ্যার তথ্য মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রাচুর্য ও তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার সম্পর্কে অনেক কথা সূচিত করে। বর্তমানে দেশে প্রতিটি মানুষের জীবনে সিম হল অপরিহার্য উপকরণ। বৈধ সিমের সংখ্যার বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে এবং প্রতিটি শ্রেণি থেকে বৈধ ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই মাইলফলক কেন গুরুত্বপূর্ণ বলা হচ্ছে।
বিস্তার ও বিশেষ চারটি অপারেটর
সর্বমোট বৈধ সিমের সংখ্যা এখন প্রায় ৩২ কোটি ৮২ লাখে পৌঁছেছে। এই হারের বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে গ্রামের কৃষক থেকে শহরের কর্পোরেট কর্মকর্তার মধ্যে। প্রতিটি নাগরিক এখন নিজের জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ সুবিধার উপর নির্ভর করছেন। এই অবস্থা দেশের ডিজিটাল প্রক্রিয়া ও সমাজের বৈচিত্র্যের প্রতিফলন হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে।
সিম সচলতার বিস্তার কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমানে দেশে মোবাইল কোম্পানির সংখ্যা চারটি। কোম্পানিগুলো হলো – টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এই চারটি কোম্পানির নেটওয়ার্ক প্রতিটি সামাজিক ও আর্থিক প্রক্রিয়া দেশের স্থায়ী বিবরণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গ্রামীণ অঞ্চলে প্রতিটি পরিবারের জন্য সিম বিস্তারের মাধ্যমে তথ্য ও সম্পর্কের সুবিধা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বর্তমানে দেশে মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা চারটি। কোম্পানিগুলো হলো – টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
সংসদের অধিবেশনে নিলোফার চৌধুরী মনি প্রশ্ন করেন, “বর্তমানে দেশে মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা কত এবং সেসব কোম্পানির বৈধ সিমের সংখ্যা কত?” তিনি তথ্য প্রদানের জন্য প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন। উত্তরে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ব্যাখ্যা দেন, “স্থাপিত মোবাইল কোম্পানি চারটি হলো।” সূত্র অনুযায়ী, এই মোবাইল সিমের সংখ্যা প্রতিটি প্রান্ত থেকে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৈধ সিমের বৃদ্ধি কীভাবে সামাজিক অর্থনীতি প্রভাবিত করছে?
১৬ কোটি মানুষের হাতে ৩২ কোটিরও বেশি সচল সিমের দৃষ্টান্ত দেখা যাচ্ছে কৃষিক্ষেত্র থেকে শিল্প শিক্ষার ক্ষেত্র পর্যন্ত। বৈধ সিম দ্বারা কৃষক অঞ্চলে আগে