হৃদরোগীদের জন্য সুখবর, কমলো রিংয়ের দাম
হ দর গ দ র জন য – হৃদরোগীদের জন্য খুশির খবর এসেছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) নতুন দাম নির্ধারণ করে করোনারি স্টেন্ট এবং হার্টের রিং পণ্যগুলোর দাম প্রায় সর্বমোট ২০ শতাংশ কমিয়েছে। এই পরিবর্তন বিশেষ করে হৃদরোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে অনেক সুবিধাজনক হবে। একইসঙ্গে দেশের সব হাসপাতালে নতুন দাম বাস্তবায়ন করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া
মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিজিডিএ-র মহাপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠি দেশের হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, স্টেন্ট বিক্রি করতে হবে নতুন দাম অনুসারে এবং তা কোনো চিকিৎসা প্যাকেজের আওতায় আনা হবে না। এই নির্দেশনা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পরামর্শ এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে করা হয়েছে। পূর্বে স্টেন্ট পণ্যগুলো দেশের বিভিন্ন আমদানি কর্তৃপক্ষের সম্মান স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পর্বে দাম পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে ট্যাক্স, ভ্যাট এবং অন্যান্য খরচ বিবেচনার পর।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সংস্থান
এই পরিবর্তন করা হয়েছে নতুন দাম নির্ধারণের জন্য বিশেষজ্ঞদের কমিটির পরামর্শের ভিত্তিতে। যে কমিটি বিশেষ করে স্টেন্টের দাম পুনর্নির্ধারণের জন্য নির্ধারিত হয়েছিল তা সাত সভা বসার পর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিল। এ কমিটিতে চিকিৎসা প্রস্তুতকারী এবং অর্থনীতিবিদদের উপস্থিতি ছিল। এই দাম পুনর্নির্ধারণ হার্ট রিং এবং করোনারি স্টেন্ট প্রস্তুতকারীদের মধ্যে নতুন কোটা কমানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
প্রতিটি হাসপাতালে স্টেন্ট বিক্রি করতে হবে নতুন দাম অনুসারে, যার ফলে চিকিৎসার স্বাদু খাবার সাধারণ মানুষের পক্ষে সহজতর হবে। এই পরিবর্তনের ফলে হৃদরোগীদের পক্ষে অর্থ সংকট কমতে পারে। নতুন দামে স্টেন্ট প্রাপ্তি জনগণের পক্ষে একটি নতুন সুযোগ তৈরি করবে। যেহেতু হার্ট রিং ও করোনারি স্টেন্ট একটি গুরুতর চিকিৎসা প্রস্তুতকারী পণ্য, তাই এর দাম হ্রাসের ফলে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের হৃদরোগীদের জন্য সুবিধাজনক হবে।
এই পরিবর্তন আনা হয়েছে চিকিৎসার প্রক্রিয়া সহজতর করার জন্য। স্টেন্ট স্থাপন হয় সাধারণত হৃদরোগের চিকিৎসার সময়। যার কারণে হৃদরোগীদের জন্য দাম হ্রাসের ফলে তাদের অর্থ সংকট কমবে। আগে হার্ট রিং ও স্টেন্ট প্রাপ্তি জনগণের জন্য সমস্যা হত। এখন পরিবর্তিত দামের ফলে তা কমে গেছে।
এই দাম হ্রাসের ফলে বিশেষ করে শিশু ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য