হাম মৃত্যু বৃদ্ধি, নতুন শিশু প্রাণ হারালো
হ ম ঝরল আরও ৫ প র – হাম প্রাণ হারানো হয়েছে আরও ৫ জনের প্রাণ – স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাম ও এর উপসর্গে আরও ৫ জন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এই মৃত্যুতে একজন ছিল নিশ্চিত হাম প্রকৃতিতে এবং চারজন হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাণ হারায়। গত দিনে হাম সন্দেহে আরও ৯০ জন রোগী হাসপাতালে আসে। বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সারা দেশে হাম রোগীদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ৩৪০ জন, যেখানে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানে ৭৫৮ জন।
রোববার (১২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বুলেটিনটি জানায় যে হাম সংক্রমণ চলছে বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত। সারা দেশে এই সংক্রমণের মোট প্রাণ হারণের হিসাব ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিভাগভিত্তিক মৃত্যু ও রোগী বিস্তার
সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানে ৭৫৮ জন। বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যেখানে ২৮৭ জন শিশু প্রাণ হারায়। তারপর সিলেটে ৯০ জন, রাজশাহীতে ৮৯ জন, চট্টগ্রামে ৫৪ জন, বরিশালে ৪৩ জন, ময়মনসিংহে ৬৩ জন, খুলনায় ২৯ জন এবং রংপুরে ৯ জন প্রাণ হারানো হয়েছে। এই তথ্যগুলি অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগ এবং সিলেট বিভাগে হামের প্রাণ হারণের হার সর্বাধিক।
হাম রোগীদের ভর্তি সংখ্যা চলতি দিনে বিভাগভিত্তিকভাবে প্রায় ৩৬৫ জন ঢাকায় এবং ৭৪ জন সিলেটে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চট্টগ্রামে ১৫৯ জন, বরিশালে ১১৭ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, খুলনায় ৪৬ জন এবং রংপুরে ১৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই ভর্তি হারের তুলনায় হাম সন্দেহে রোগীদের সংখ্যা বেশি হয়েছে যেখানে সারা দেশে বর্তমানে হামের লক্ষণ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০ জন।
স্বাস্থ্য সংক্রমণ এবং চিকিৎসার পরিস্থিতি
এ পর্যন্ত সারা দেশে হাম রোগীদের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪ হাজার ৩৪০ জন। তাদের মধ্যে ৯০ হাজার ৬০৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭৯ জন হামের লক্ষণ নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে হাম সন্দেহে রোগীদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০ জন। নিশ্চিত হাম রোগীদের সংখ্যা বর্তমানে ১৩ হাজার ৫০০ জন। এটি মোট প্রাণ হারণের হার বৃদ্ধি করছে যেখানে হামে মৃত্যু বৃদ্ধি পেয়েছে আরও ৫ জন।
রোগীদের উপর চিকিৎসা করার জন্য হাসপাতালগুলি প্রতিদিন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দিনে হাম প্রকৃতিতে আরও বেশি প্রাণ হারানো হয়েছে যেখানে শিশুদের মৃত্যু বেড়েছে সারাদেশে। এই হাম বৃদ্ধির কারণে চিকিৎসা সুবিধার বৃদ্ধি দরকার হয়েছে যাতে রোগীদের সঠিক চিকিৎসা করা সম্ভব হয