আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন – আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি বন্ধের পরিণতি আসছে না
আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন – আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন ঘটনার পর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে স্থায়ী পরিবর্তন ঘটেছে। গত ২৭ মে সকালে সেই ঘটনার কারণে একটি গুরুতর অপরাধ ঘটেছে, যার ফলে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়। সেই দিন জরুরি বিভাগে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল, এবং তখন সেখানে ৪২৬ জন রোগী ছিলেন। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত প্রায় ১৭৬ জন রোগী হাসপাতাল থেকে বাইরে চলে গেছেন। বর্তমানে জরুরি বিভাগে নতুন রোগী ভর্তি বন্ধ রয়েছে, যার ফলে হাসপাতালের জনপ্রিয়তা এবং প্রতিষ্ঠা ব্যাপকভাবে প্রতিশোধ চাওয়া শুরু হয়েছে। আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন ঘটনার পর এখনও বিভিন্ন কর্মীদের কাছে প্রতিক্রিয়া এসেছে।
প্রাথমিক ঘটনার পরিস্থিতি ও তদন্ত
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে নবজাতকদের মৃত্যুর কারণ অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা না থাকার কারণে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী এই ঘটনার জন্য হাসপাতালের প্রক্রিয়াগুলো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার কাছে অসম্পূর্ণ ছিল। আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন ঘটনার পর হাসপাতালটি দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ চালু করার ব্যবস্থা করেছে। প্রতিবেদনে জানা গেছে যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগীদের সেবা বঞ্চিত করা না হওয়ায় লাইসেন্স বাতিল করেছেন। তবে আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন ঘটনার পর কর্মীরা সামান্য পরিবর্তন করেছেন যাতে আসরে জরুরি বিভাগে রোগীদের পরিচালনা সুষ্ঠু হতে পারে।
রোগীদের দৃষ্টিভ্রম এবং বাচ্চা নিবির পর্যবেক্ষণ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে আসরে রোগীদের স্বাধীনতা পেল না মৃত্যুর ঘটনার পর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা গুরুতর ভাবে প্রভাবিত হয়েছে। প্রতিবেদনে জানা গেছে যে বাচ্চা নিবির পর্যবেক্ষণে রয়েছেন কর্মীরা। এই ঘটনার পর আসরে প্রতিদিন রোগীদের সংখ্যা কমেছে, কিন্তু কিছু রোগী হাসপাতাল থেকে বাইরে চলে গেছেন যারা সুস্থ হয়েছেন। আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন ঘটনার পর হাসপাতালে আবার সমস্যা দেখা দিলে কর্মীরা পরিবর্তন করতে চাইছেন।
হাসপাতালের কর্মীদের কাছে প্রতিক্রিয়া হিসাবে বলা হয়েছে, আদ দ ব ন ছ ড়ছ ন ঘটনার পর হাসপাতালের ভর্তি বন্ধ হয়েছে, কিন্তু সেবা বন্ধ হয়নি।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে রোগীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্বজন আলাপে জানা গেছে যে নতুন কোনো রোগী ভর্তি নেওয়া বন্ধ হয়েছে, কিন্তু সেবা অব্যাহত রয়েছে। কিছু রোগী