Bangladesh

শাহপরীর দ্বীপে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্যের কুয়াশা

শাহপরীর দ্বীপে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্যের কুয়াশা শ হপর র দ ব প ঘন - নাফ নদীর জল এবং বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠ একত্র হয়েছে সীমান্তের শেষ প্রান্তে অবস্থিত শাহপরীর

Desk Bangladesh
Published July 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শাহপরীর দ্বীপে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্যের কুয়াশা

শ হপর র দ ব প ঘন – নাফ নদীর জল এবং বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠ একত্র হয়েছে সীমান্তের শেষ প্রান্তে অবস্থিত শাহপরীর দ্বীপ। সেখানে হাজার পঞ্চাশ মানুষ বাস করেন। যেখানে কোনো কৃত্রিম বাধা নেই, সেখানে সাগরের নোনা জলে কাজ করে জীবন বয়ে চলে। কিন্তু এখন সেই চোখে ঘুম নেই—অজ্ঞাতপরিচয় মানুষের লাশগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।

গত এক সপ্তাহে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটের নিকট নদীর তীরে এক যুবকের মরদেহ ভেসে আসে। সেই মৃত ব্যক্তির পরনে গাঢ় নীল রঙের হাফ প্যান্ট এবং হালকা সবুজ রঙের জার্সি ছিল। দাড়ি ও গোঁফের কারণে তার চেহারা দীর্ঘ সময়ে পানিতে থাকায় বিকৃত হয়ে গেছে। পুলিশ জেনেছেন, গত এক সপ্তাহে পরপর ৪টি লাশ ভেসে আসছে। গতকাল আরও একটি মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে দুটি মহিলা এবং এক পুরুষ রয়েছে। আর একটি কঙ্কাল মৃত দেহ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায়।

“গত এক সপ্তাহে পরপর ৪টি লাশ ভেসে আসছে। গতকাল আরও ১টি লাশ ভেসে আসছে। মরদেহের মধ্যে ২ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষ ও একটি কঙ্কাল রয়েছে। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় মরদেহটির চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে। একটি কঙ্কালও রয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিক ভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।”

সম্প্রতি মিয়ানমারের মন্ডু এলাকায় তীব্র বিস্ফোরণ এবং গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওপারকার সংঘাতের শিকার হওয়া কোনো হতভাগার লাশ এগুলো হতে পারে। আবার শীতের মৌসুমে গভীর রাতে মানুষ মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চড়ে বসে। উত্তাল সাগরে মানবপাচারকারীদের সেই ট্রলারডুবির কারণেও এই সলিল সমাধি হতে পারে বলে অনেকের ধারণা।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুঠোফোনে পরিস্থিতির গভীরতা তুলে ধরে বলেন, “গতকাল পর্যন্ত ৫টি লাশ উপকূলে ভেসে আসছে। প্রায় এই ভাবে লাশ উপকূল থেকে নাফ নদী ও শাহপরীর দ্বীপে ভেসে আসে। লাশের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ অভিযোগও করছে না। এরপরও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছেন। পরিচয়হীন এই লাশগুলোর নেপথ্যের রহস্য উদঘাটন এবং এই মৃত্যুর মিছিল থামাতে এখন উপকূল জুড়ে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে প্রশাসন।”

Leave a Comment