বেলজিয়ামের পার্লামেন্টের প্রতিবাদ: ইনফান্তিনোর ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি
য ক তর ষ ট রক হ – বিশ্বকাপের ষোলো দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে চার গোলের পার্থক্যে পরাজিত করে বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনালে অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে। তবে এই ম্যাচের চেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে মার্কিন তারকা ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ডের ঘটনাকে।
শেষ বত্রিশের ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে বালোগুনের লাল কার্ড বিতর্ক বিষয়টির সূত্রপাত হয়। নিয়ম অনুযায়ী তার খেলার সম্ভাবনা ছিল না, কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে ফিফা তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে।
ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে স্বীকার করেছেন যে তিনি ইনফান্তিনোকে ফোন করেছিলেন এবং তার পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। ইনফান্তিনো দাবি করেছেন ফিফার বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং তিনি ট্রাম্পকে এই বিষয়ে বিবেচনা করতে জানিয়েছিলেন।
বেলজিয়ামের খেলোয়াড়দের ট্রাম্পের বিখ্যাত ‘ট্রাম্প ড্যান্স’ অনুকরণ করে আনন্দ প্রকাশ করেছে ম্যাচ শেষে। ক্যার্লস ডি কেটেলারের দুটি গোল এবং হান্স ভানাকেন ও রোমেলু লুকাকুর লক্ষ্যভেদে যুক্তরাষ্ট্র বিধ্বস্ত হয়।
মাঠের ক্ষমতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফিফা এবং ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়ে বেলজিয়াম মিডফিল্ডার নিকোলাস রাসকিন বলেন, “আমি সবসময় বিশ্বাস করি জীবনে কোথাও না কোথাও সুবিচার ঘটে। এমন ঘটনা ঘটলে আপনি কোনও ভাবে আড়াল করতে পারেন, কিন্তু আমাদের কাছে এটি ন্যায্য মনে হয়নি। আজকের জয় আমাদের জন্য কিছুটা সৌভাগ্য নিশ্চিত করেছে। আমাদের যেকোনো মূল্যে ম্যাচটি জিততে হতো। মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই আমাদের বার্তা পৌঁছেছে।”
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সামিল হওয়া
এই ঘটনার প্রতিবাদে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবার আসরে নেমেছে। বিচার প্রক্রিয়ায় ইনফান্তিনোর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সঠিকতা পরিদৃষ্ট করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি ফুটবল সংস্থাকে আহ্বান জানানো হয়েছে। ইউয়েফা এই বিতর্ককে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে আখ্যাও দিয়েছে।
পরবর্তী কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম স্পেনের মুখোম�