শিশুর পায়ে শিকল, মাদ্রাসায় নির্যাতনের নতুন ঘটনা
শ শ র প য় শ কল – শিশু পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় কোরআন শিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল খুলনার আড়ংঘাটা ইউনিয়নের শুলুয়া এলাকায় অবস্থিত হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসায়। এই ঘটনায় মিরাজুল ইসলাম নামে এক শিশুকে তার পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার পায়ে শিকল দিয়ে তালা ও কাঠের টুকরো সঙ্গে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ শিশুটিকে ঘটনাস্থলে থেকে বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে মাদ্রাসার শিক্ষক আসলাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে শিশু আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গৃহীত তথ্য প্রকাশের পর বিশ্বাস করা হয়
শিশুটির মা রত্না খাতুন জানান, তার প্রথম পরিবার শিশুটির পায়ে শিকল বাঁধার ঘটনা বিশ্বাস করেননি। নানী তাকে পুনরায় বাড়িতে নিয়ে যেতেন। কিন্তু গত ৫ জুলাই তার খোঁজ নিতে গিয়ে পায়ে শিকল বাঁধা অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। রত্না খাতুন বলেন, শিশুটি পায়ে শিকল বাঁধার কারণ হলো তার মাদ্রাসায় কোরআন শিক্ষা করতে চায় না বলে। তিনি জানান যে প্রথম কয়েক দিন তার পায়ে শিকল বাঁধা হয়েছিল। নিয়মিত পাঠের সময় তার পায়ে শিকল দিয়ে মাদ্রাসার অন্যান্য শিশুদের নিয়ন্ত্রণ করা হত।
‘শিশুটির বাবা দিনমজুর। তাকে গেল বছর মাদ্রাসায় কোরআন শিক্ষার জন্য ভর্তি করি। এরপর শিশুটিকে পায়ে শিকল বাঁধা হত। মাদ্রাসায় শিশুদের পায়ে শিকল বাঁধার অভিযোগ আগেও ছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর পরিবার আর দুর্ব্যবহারের প্রমাণ দেখতে পারেনি,’ বলেন রত্না খাতুন।
আইনি ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হয়েছে
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হালিমুর রহমান জানান যে শিশু পায়ে শিকল বাঁধার ঘটনার পর আইনি ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষক আসলাম উদ্দিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু নির্যাতনের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান যে মাদ্রাসায় পায়ে শি�