প্রবাসী কার্ডের সুবিধা এবং চালু কার্যক্রম
প রব স ক র ড র – প্রবাসী বাংলাদেশীদের সামাজিক মর্যাদা উন্নয়ন, আর্থিক নিরাপত্তি এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সিদ্ধান্তটি শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে আলোচিত হয়েছিল। এই কার্ড সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রবাসীদের জন্য নতুন এক বিশেষ সুবিধা হিসেবে মন্তব্য করা হয়।
গৃহিত পরিকল্পনার মতে, আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে কার্ডের প্রতিষ্ঠা শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক মাধ্যমে ডেবিট কার্ড প্রদান করা হবে। দুই লাখ কার্ড বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত এবং ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে সংখ্যা চালু করা হবে ৫০ হাজার।
প্রবাসী কার্ডের বিশেষ সুবিধাগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলঃ বিমানবন্দরে ত্বরিত ইমিগ্রেশন এবং লাউঞ্জ ব্যবহার, টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়, পিক-অ্যান্ড-ড্রপ সেবা, সরকারি হাসপাতালে বিশেষ বুথ ও চিকিৎসা সুবিধা, মৃত্যু হলে মরদেহের খরচ বাদ দেওয়া, রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্রেডিট স্কোর ও ঋণ সুবিধা, জমি রেজিস্ট্রেশন, ইউটিলিটি সংযোগ, পাসপোর্ট এবং কনস্যুলার পরিষেবার অগ্রাধিকার, প্রবাসফেরতদের বীমা এবং পুনর্বাসন সুবিধা।
সভায় বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। অতীতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ক্রীড়া কার্ডের সফল পরিচালনার ধারাবাহিকতার কারণে প্রবাসীদের জীবনযাত্রা সহজ এবং সুসংহত করার লক্ষ্যে প্রবাসী কার্ড বাস্তবায়ন করা হয়।