Bangladesh

এশিয়ার সেরা চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি পেল ‘রইদ’ | সংবাদ

বাংলাদেশের সেরা চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি পেল ‘রইদ’ এশ য় র স র চলচ চ - এশীয় চলচ্চিত্র উৎসব-এ সমালোচক বিভাগে সেরা এশীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে মেজবাউর রহমান

Desk Bangladesh
Published July 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাংলাদেশের সেরা চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি পেল ‘রইদ’

এশ য় র স র চলচ চ – এশীয় চলচ্চিত্র উৎসব-এ সমালোচক বিভাগে সেরা এশীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ছবি ‘রইদ’। এই সাফল্যের খবর নিজেই নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। তার ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়েছে, “আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের গল্পগুলোকে তুলে ধরার জন্য উৎসব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।” তিনি আরও জানান, সিনেমাটি বিচারক কং রিথডি, হোয়াং ক্যাম জিয়াং এবং হোয়াং থু হ্যাং কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

প্রাকৃতিক অধ্যয়ন সাফল্যের উৎস

এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবের আগের পর্বে ছবিটি এশীয় চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছিল। এবার সমালোচকদের বিচারে এশীয় চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি অর্জন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য নতুন গৌরব বয়ে আনলো ছবিটি। ছবিটির সমালোচক বিভাগে স্বীকৃতি ছাপা হওয়ার পর বিশ্বের নতুন সিনেমাটিক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি করেছে।

‘রইদ’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, নাজিফা তুষি ও গাজী রাকায়েত। সিনেমাটির গল্প লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন ও সেলিনা বানু মনি। চিত্রনাট্য করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন, জাহিন ফারুক আমিন, সিদ্দিক আহমেদ এবং সুকর্ণ শাহেদ ধীমান। সিলেটের সুনামগঞ্জে ছবিটির শুটিং হয়েছে, যা ছাড়া বাংলাদেশের এশীয় চলচ্চিত্রের মূল্য বৃদ্ধি করেছে।

নতুন তরুণ অভিনেতাদের উৎসাহ দিয়েছে ছবি

এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি নির্মাতারা প্রায় ছয় মাসব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে অভিনয়শিল্পীদের প্রস্তুত করেছিলেন। অভিনেতাদের সম্পূর্ণ মনোযোগ ছবির কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ সামগ্রিক দিক থেকে বাংলাদেশের এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি একটি নতুন সমালোচনামূলক সাফল্যের প্রতিকৃতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

‘রইদ’ ছবি মেজবাউর রহমান সুমনের প্রথম চলচ্চিত্র হাওয়া এবং তার দ্বিতীয় ছবি হিসেবে নির্মিত হয়েছে। তিনি ছবিটির স্ক্রিপ্ট ও চিত্রনাট্য করেছেন। বিশেষ করে ছবিটির গল্পের দিক থেকে এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করা হয়েছে। ছবির কার্যক্রম থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে বাংলাদেশ এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে সুস্পষ্ট আস্থার কথা বলছে।

উৎসবের মধ্যে ছবি নিয়ে এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবের নীতি কর্তৃক স্বীকৃতি পেল পরিচালক ও প্রযোজকদের কাছে নতুন উৎসাহ আসছে। সিনেমাটি এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য বয়ে আনলো। এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র উৎসবের সমালোচক বিভাগে প্রথম সাফল্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

বাংলাদেশের সিনেমার গৌরব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে আরও একটি সুযোগ হয়েছে। ছবিটি এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে প্রকৃতিগত গল্প দ্বারা সাধারণ দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এটি আরও সমালোচনা পরিচালকদের কাছে স্বীকৃতি পেল পরিচালনার মধ্যে এশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে সফল প

Leave a Comment