দেবহাটার প্রাকৃতিক আবিষ্কার: বনবিবি বটতলা
দ বহ ট য় শত বছর র – সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত দেবহাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নে এক অসাধারণ উদ্ভিদ আবির্ভূত হয়েছে। এই বটবৃক্ষটি প্রায় পাঁচ একর জমিতে ডালপালা ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একে স্থানীয় মানুষ বনবিবি বটতলা হিসেবে চিহ্নিত করে। এই বৃক্ষের মূল কাণ্ড খুঁজে পেয়া দুর্লভ। তার ঝুরিগুলি এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে মাটির গভীরে প্রবেশ করেছে।
উপজেলার বাসিন্দারা এই গাছটির সাথে জড়িত ইতিহাসের একটি অংশ বিবেচনা করে। নামকরণের পেছনে সুন্দরবনের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার কথা রয়েছে। এখানে লোককাহিনী আর প্রকৃতি প্রেম একত্রিত হয়ে গেছে। হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এই স্থানে মানতে যায়। কয়েক শত বছর ধরে এই বট সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
গাছটির গুরুত্ব আর কাহিনী
বৃক্ষটি কমপক্ষে ত্রিশ শত বছর বয়স্ক। মুনসুর আলী বলেন, ‘আমরা ছোট বয়েসে থেকেই এটি দেখছি। গোড়া কোথায় হয়ত বলা কঠিন। এর সম্পর্কে আগের কাটার চেষ্টা করেছেন কেউ কেউ, তাদের বিপদ হয়েছে। এক দিন নলতা মাজারের খাদেম সাহেব গাছটি কাটতে না চাইলেন। তার পর থেকে কেউ এর প্রতি আক্রমণ করেনি।’
বর্তমান অবস্থা আর উদ্যোগ
এই স্থানটি এখনও বেশি আকর্ষণ করেনি। জমিটি ব্যক্তি মালিকানাধীন হওয়ায় পর্যটনের ব্যবস্থা প্রায় অপূর্ণ। তবে সঠিক পর্যালোচনা করা গেলে এটি জেলার প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে বলে স্থানীয়রা মনে করেন। দেবহাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা জানান, ‘আমরা এটি রক্ষা করছি আর পর্যটকদের জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। কিছু সমস্যা হচ্ছে কারণ জমিটি ব্যক্তি মালিকানাধীন।’
প্রকৃতির প্রতি মমতা বশতঃ এই বটতলা আজও অগণিত গল্প আর ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে।