রংপুরে দুদকের জালে হাজারো ফাইলবন্দী অভিযোগ
র প র দ দক র জ – রংপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যালয়ে কয়েক মাস ধরে ভারী সংখ্যক দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘ সময় ধরে বিপর্যয় ছড়ানো হয়েছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি করপোরেশন সহ বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ সংখ্যা কম নয়। কিন্তু তদন্তে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়নি। এ কারণে মানুষের মনে বিপ্লবের সৃষ্টি হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় গঠিত কার্যালয়টি রংপুর, গাইবান্ধা এবং নীলফামারী জেলার দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তের দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া মুলাটোল এলাকায় রয়েছে রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়। বিশেষজ্ঞ সূত্র থেকে জানা গেছে, গত এক বছর ধরে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে থেকে অসংখ্য লিখিত অভিযোগ পড়েছে কার্যালয়ে। প্রতি মাসে নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগগুলো যাচাই করার জন্য একটি কমিটি রয়েছে কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বাদ দেওয়া অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
দুদকের নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বড় কিছু রাঘববোয়াল ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বর্তমানে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত কাজে গতি ফেরানোর সম্ভাবনা কম।
রংপুর সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. সাওন মিয়া বলেন, “দুদকের চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালকের পদ শূন্য থাকায় সারা দেশে কার্যক্রম স্থবির হয়েছে। তবে দ্রুতই এই সংকট কেটে যাবে এবং তদন্তে গতি আসবে বলে আশা করছি।”
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমেদ বলেন, “দুদককে একটি স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে আইনি সংস্কার বিকল্প নেই। বর্তমানে জেলা পর্যায়ে জরুরি অভিযান চালাতেও প্রধান কার্যালয়ের অনুমতি নিতে হয়।”
প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীত