Bangladesh

বঙ্গবীর ও ডানুভাবিকে যতটুকু দেখেছি

Techtaranga.com_17811158009372

বঙ্গবীর ও ডানুভাবির বৈঠক আমার স্মৃতি

Banglabeacon.com – বঙ গব র ও ড ন ভ – ১৯৮৬ সালে কলকাতার রবীন্দ্রসদনে অনুষ্ঠিত দুই বাংলার কবির কবিতা পাঠের সমারোহে আমি প্রথমবার বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে স্বচক্ষে দেখি। যাঁর সঙ্গে ডানুভাবি স্থানান্তরিত হয়েছিলেন বর্ধমানে একটি দীর্ঘ সম্পর্কের মিথস্ক্রিয়ায় আমার সঙ্গে তাঁদের প্রয়াত নাসরীন কাদের সিদ্দিকীর কথা চিনি এবং জানি। আজ তাঁর মৃত্যু ঘটেছে স্ট্রোকের কারণে যার এক বছর পূর্ণ হয়েছে জুন মাসে। তখন আমার পুত্র অভিন্ন এবং আমাকে সঙ্গে নিয়ে গেছিলাম এই বৈঠকে।

অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি জাগিয়েছিল

কবিতা পাঠ শেষে স্টেজ থেকে নেমে আমার মনে হলো যে কবি রফিক আজাদ একজন ব্যক্তিত্ব সুদর্শন। তিনি ডানুভাবিকে বঙ্গবীরের নিকট পরিচয় করিয়ে দেন। আমি তাঁকে মুখোমুখি কথা বলছিলাম তখন তিনি কলকাতার জন্য কুচবিহারে যাচ্ছেন। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ধ্যান-জ্ঞান নিয়ে কথা হয় তাঁদের পরিচয়ে। আমি সেই সময় তাঁর সঙ্গে স্পর্শ করি তাঁর অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদের সঙ্গে আমাদের সাইটসিঙ করালো তিনি। তিনি মায়ের জন্য ঝড়ের রাতে সাঁতরে পার হওয়া দামোদর নদী দেখে সত্যি ভাগ্যবতী মনে হয়।

ডানুভাবি বঙ্গবীরের কাছে আগ্রহে তাঁকে তার সাথে নিয়ে বর্ধমান যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সে বাইরের খাবার গ্রহণ করতে অস্বীকৃত হন তিনি। কিছুকাল আগে ডানুভাবি বঙ্গবীরের সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। কুমুদিনী কলেজে যোগদান করার সময় আমি তাঁর কন্যা এই ডানুভাবিকে চিনি ও জানি। তাঁর সাথে আমাদের কথা হয়েছিল শিশু অভিন্নের সম্পর্কে যার একজন বিদূষী অধ্যক্ষ ছিলেন কলেজে।

বর্ধমানে আগমন ও রোমান্সিত মুহূর্ত

মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সূর্যসন্তান হিসেবে বঙ্গবীরের স্ত্রী হিসেবে ডানুভাবি পরিচিত। তিনি অপেক্ষা করেন বর্ধমানে এসে আমাদের সঙ্গে নিয়ে যাবার জন্য। ফরিদ আহমেদ আমাদের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে সাথে থাকেন। দামোদর নদী পার হওয়ার পর তাঁর নির্দেশে অভিন্নকে কাছে ডেকে আদর করেন তিনি। যতদূর মনে পড়ে তিনি আমাকে বৌমা বলে সম্বোধন করেছিলেন কলেজে।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আমাদের সঙ্গে সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশের বিশাল কবি রফিক আজাদের সাথে যুক্ত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *