Bangladesh

চন্দ্রতারা

Techtaranga.com_17811164755032

চন দ রত র: স্মৃতির ছায়া ভাঁজে বাঁধন জুড়ে

Banglabeacon.com – চন দ রত র একটি গোপন গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে— যেমনটা দাদী বলতেন, “মৃতদেহের নিচে জমে থাকা জমিনের আলাদা ঘ্রাণ হয়।” মাটির গন্ধ আজ আলাদা হয়ে উঠেছে, এবং কাদামাটি মেশানো বাতাসে একটি অপরিচিত তত্ত্ব ঘুরছে। দুলাল লোহার শানবাঁধানো কবরের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কাদা হাতে ঘষছে যেন কিছু শোধরানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু দাদী আর ফিরে আসবে না। চন দ রত র তার চোখে চলছে যেন অবিস্মরণীয় মন্তব্যের ছায়া।

পুরোনো কাগজের রহস্য

বাড়ি ফিরে ঘড়ির কাঁটা দুইটা পার করলেও দুলালের চোখে ঘুম নেই। শরীর ক্লান্ত, কিন্তু মাথার ভেতরে কেউ কাঁচ ভেঙে হাঁটছে মনে হচ্ছে। কানের ভেতর দিয়ে গড়িয়ে চলছে শব্দের ছায়া, যেন চন দ রত র এই স্মৃতির মধ্যে চলছে। তার চোখ আটকে গেল এক পাতায়, যেখানে মানচিত্রের কাগজ বাঁধন জুড়ে আছে।

“ইন্দ্র জ্যোতি, ইন্দ্র জ্যোতি”

এই কথা কিছু কিছু স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে, যেমন চন দ রত র তার প্রাচীন ছায়া। সকালটা স্বাভাবিক ছিল না, বাড়ির বারান্দায় পাখির ডানার শব্দ ছিল, কিন্তু তাদের ডাক শুনতে পাচ্ছিল না দুলাল। শব্দের ছায়া তার মনে হচ্ছে বাইরের নয়, ভেতরের গভীরে কেউ হাঁটছে।

খাতার শেষ পাতার রহস্য

দুলাল খাতার শেষ কিছু পাতার ওপর বসে আছে। পাতাগুলো জুড়ে ফাঁকা স্থান, বাদামি কালি, আর মাঝে মাঝে অদ্ভুত ছোট ছোট আঁকিবুঁকি কোনো শিকড়, কখনো সাপ, কখনো হাতের তালুর রেখার মতো ঘূর্ণি। খাতার বাঁধনের ঠিক নিচের ভাঁজে হাত দিলে সে টের পেল কিছু যেন চাপা দেওয়া আছে। চন দ রত র তার চোখ আটকে গেছে এই বিশেষ পাতায়।

চোখে লাগানো ধুলোর মতো পুরোনো একটি কাগজ সে ধীরে ধীরে টেনে বের করল। এটা ছিল একটি মানচিত্র, হাতে আঁকা, জীর্ণ কাগজে। কালো কালি ঝাপসা হয়ে গেছে কিছু অংশে, কিন্তু কয়েকটি স্থান, রেখা, এবং একটি নাম একেবারে স্পষ্ট। লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত জায়গাটি মানচিত্রের এক কোনায় রয়েছে— সেখানে ছিল তার দরজা, এখন সেখানে তার শিকড়।

দুলালের কপালের ঠিক মাঝখানে এক বিন্দু ঘাম জমে উঠল। সে চোখ নামিয়ে খেয়াল করল, মানচিত্রের প্রান্তে আঁকা আছে একটা গোল কাঠামো নাগমুখ বিশিষ্ট মন্দিরের প্রতিরূপ। পাশে লেখা: “যে রক্তে লেখা, তাকে খুঁজেই ফিরছে সে।” এখন চন দ রত র তার চোখে একটি অপরিচিত রহস্য চলছে।

দুলাল ধীরে ধীরে উচ্চারণ করল, “আমি একটা জায়গায় যাচ্ছি।” লাবণীর কণ্ঠ থেমে গেল। তারপর নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “তুই ওখানে একা যাচ্ছিস?” দুলাল কিছু বলল না। লাবণ�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *