Bangladesh

মণিপুর-রাজেন্দ্রনন্দিনী, ওগো তাপসিনী

মণিপুর-রাজেন্দ্রনন্দিনী, ওগো তাপসিনী কবিগুরুর আদর্শ রস কাব্য ও নাট্যে মণ প র র জ ন দ - রবীন্দ্রনাথ তাঁর সৃষ্টি করেন ‘চিত্রাঙ্গদা’ গীতিনৃত্যনাট্যটি। কাব্য

Desk Bangladesh
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মণিপুর-রাজেন্দ্রনন্দিনী, ওগো তাপসিনী

কবিগুরুর আদর্শ রস কাব্য ও নাট্যে

মণ প র র জ ন দ – রবীন্দ্রনাথ তাঁর সৃষ্টি করেন ‘চিত্রাঙ্গদা’ গীতিনৃত্যনাট্যটি। কাব্য দ্বারা তাঁর পরিচিত করার প্রয়াসে নাটক ও নাচ-গানের পিপাসু কেউ কিছুতে কিছু তা বুঝতে পারেনি। কিন্তু এই গীতিনৃত্যনাট্যে ভারী অমর রস পরিলক্ষিত হয়। অনেকটা স্মৃতি নিয়ে এসেছিল রবীন্দ্রনাথের প্রিয় গীতিনৃত্যনাট্যগুলো যেমন ‘চণ্ডালিকা’ ও ‘শ্যামা’। তবে প্রাচুর্য সম্পন্ন কী কী সৃষ্টি তাঁর এ নাট্যটি অতিক্রম করেছে নিঃসন্দেহে। এক আবেগ আসন্ন বিপুল পরিমাণে জনপ্রিয় হয়েছে এ রচনা।

‘গুরু গুরু গুরু গুরু ঘন মেঘ গরজে পর্বতশিখরে,/ অরণ্যে তমশ্ছায়া|/ মুখর নির্ঝরকলকল্লোলে/ব্যাধের চরণধ্বনি শুনিতে না পায় ভীরু হরিণদম্পতি|/চিত্রব্যাঘ্র পদনখচিহ্নরেখাশ্রেণী/রেখে গেছে ওই পথপঙ্ক-পরে,/দিয়ে গেছে পদে পদে গুহার সন্ধান॥’

রবীন্দ্রনাথের মণিপুর ভ্রমণ

রবীন্দ্রনাথের কল্পলোক গীতিকাব্যে মণিপুর রাজদুহিতা চিত্রাঙ্গদা হিসেবে পরিচিত হয়েছে। তাঁর নৃত্য নাট্য মহাভারতের ওই প্রাচীন কাহিনী থেকে গৃহীত হয়েছে। সেই কথা প্রমথ চৌধুরীকে এক চিঠিতে ব্যক্ত করেছিলেন। সেই চিঠিতে লেখা ছিল— “কাল আমি শিলঙ ছেড়ে গৌহাটি যাব— তার পরে সেখান থেকে আমাদের মণিপুরে যাবার কথা চলচে| তাহলে আরো দিন দশেক পরে আমরা ফিরব|”

সিলেট থেকে মণিপুর ভ্রমণের আহ্বান ছিল ব্রাহ্মসমাজের পক্ষ থেকে। কেননা শিলঙ ও সিলেটের মোটরপথ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি তখন। বনেদী বাবুরা চেরাপুঞ্জি পর্যন্ত গাড়িতে চড়ে সিলেটে এসেছিলেন। কিন্তু এ ভ্রমণ কবিগুরুর পছন্দ ছিল না। তিনি রেলপথে আসেন। ১৯ কার্তিক (৫ নভেম্বর) বুধবার সকালে সিলেট স্টেশনে পদার্পণ করেন। সেখানে সিলেটের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শঙ্খধ্বনিতে তাঁকে স্বাগত জানান। সুসজ্জিত বোট ও বজরায় রবীন্দ্রনাথ ও প্রতিমা দেবী সুরমা নদী পার হন। ঘাটটি পত্র-পুষ্প-পতাকা দিয়ে মঙ্গলঘটে সাজানো ছিল। ঘাটের সিঁড়িগুলো লাল সালুতে মোড়ানো। সেই সময় তাঁকে অভ্যর্থনা করেন পাদরী টমাস সাহেবের বাংলোর পাশের বাড়িতে।

চিত্রাঙ্গদার ঐতিহাসিক স্থান

বহুল আলোচিত এ গীতিনৃত্যনাট্যটি সম্পর্কে প্রাবন্ধিক ইন্দ্রজিৎ সেনগুপ্ত লিখেছেন, “১৮৯২ সালে

Leave a Comment