মেক্সিকোর বিজয় করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুতে গোল
দক ষ ণ আফ র ক ক – প্রতিযোগিতার শুরুতেই মেক্সিকো খেলার পরিচালনা নিজেদের হাতে নেয়। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে রাউল হিমেনেজ গোলের সুযোগ পায়, কিন্তু ইসরায়েল রেয়েসের তীব্র ক্রস দিয়ে বল খালি করে দেন রোনয়েন উইলিয়ামস। নবম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগে মূল্যবান ভুল করে হুলিয়ান কিনোনেস বিশ্বকাপে প্রথম গোল করেন। এরিক লিরা বল কেড়ে নেয় এবং কিনোনেসকে সুযোগ দেন।
মেক্সিকোর ফরোয়ার্ড বিপদের মুখে পড়ে না, ঠান্ডা মাথায় দুর্দান্ত শট দিয়ে বল জালে বাড়িয়ে তাঁর বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। প্রথমার্ধে মেক্সিকোর বিজয়ের সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। প্রতিযোগিতার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার ভুল বিপদে নিয়ন্ত্রণ ছিল মেক্সিকোর হাতে। প্রতিযোগিতার শেষ মুহূর্তে মেক্সিকো তাদের বিজয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে নেয় যেখানে বিশ্বকাপে তাদের মোট গোল সংখ্যা ছিল শূন্য শতাংশ।
ক্রুস এবং ভুল কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার নীরসতা
প্রথম গোলের পর দক্ষিণ আফ্রিকা খেলার ধারা ফিরিয়ে নেয়, কিন্তু সফলতা পায় না। ৪২ মিনিটে গুতিয়েরেসের পাস দিয়ে মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাঙ্গেল দক্ষিণ আফ্রিকার শট ঠিক আছে রেখে নেন। প্রতিযোগিতার শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ মেক্সিকোর হাতে ছিল। আলোচনার কেন্দ্রে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার খেলার ভুল এবং তিনটি লাল কার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার আরও বিপদ ঘটে। ৪৯ মিনিটে সিথোলে অপ্রতিভ আচরণে লাল কার্ড পায় এবং দল নেমে আসে ৯ জনে। ২০০৬ সালের পর এটি বিশ্বকাপে দুটি লাল কার্ড দেখার প্রথম ঘটনা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মন্তেস লাল কার্ড পেয়ে মেক্সিকোর তৃতীয় লাল কার্ড দেখান রেফারি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী মেক্সিকোর জয়ের সম্ভাবনা ছিল ৯৯.৬ শতাংশ।
৯০+২ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার গোলের সুযোগ ছিল মুদাউকের বিপক্ষে, কিন্তু গোল হয় না। এই খেলার মাধ্যমে মেক্সিকো বিশ্বকাপের ইতিহাসে তাদের ১৮তম আসরের সূচনা করেন। হুলিয়ান কিনোনেস ছিলেন প্রথম গোলদাতা হিসেবে তাদের সাথে কাজ করেন।