ভঙ্গুর অর্থনীতি চাঙ্গা করতে চ্যালেঞ্জিং বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা
ভঙ গ র অর থন ত চ – সার্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং খাতের সংকট এবং লাগামহীন মূল্যস্ফীতির মধ্যে প্রস্তাবিত বাজেট দিয়ে সরকার একটি চ্যালেঞ্জিং পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে যা অর্থনীতির গতি ফেরানোর লক্ষ্যে নির্ধারণ করেছে। এতে মেগা প্রকল্পের আকর্ষণ হতে বিরত থেকে সাধারণ মানুষের স্বস্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সাধন করার লক্ষ্য স্থাপন করা হয়েছে।
বাজেট প্রস্তাব ও প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তৃতায় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি গত অর্থবছরের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকার এই বাজেটকে ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এর মূল রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দর্শন হলো ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন’।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত বছরগুলোতে কিছু ব্যক্তি গোষ্ঠী পুরো অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করত এবং লুটপাট চালাত। সেই ধারা ভেঙে সাধারণ সব মানুষের জন্য জবাবদিহিমূলক, বৈষম্যহীন ও ন্যায্য সুযোগের অর্থনৈতিক মডেল গড়ে তোলা হয়েছে সরকারের উদ্দেশ্য।
অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়নের প্রতিক্রমণ
সরকার এই বাজেটে মানুষের মৌলিক অধিকার, দৈনন্দিন স্বস্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি গুণগত সংস্কারের দিকে নজ