পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে দৌলতদিয়ার বাসিন্দারা আতঙ্কে জড়িত
দ লতদ য় য় পদ ম র – রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকায় পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙন চলছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্রোত প্রায় ৫০ মিটার এলাকা নদীতে চলে গিয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
আজ রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে নদীপাড়ের বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন। স্থানীয় জামান সরদার বলেন, গত বছর এক রাতে স্থানে স্রোতের কারণে ৩০ মিটার জমি নদীগর্ভে চলে গেছিল। সে সময় বাসিন্দারা মালামাল সরানোর সময় পাননি। তাই এবার আগে থেকেই তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
গত বছর এক রাতে স্রোত দ্বারা স্থানীয় জমি নদীতে চলে গেছিল। বাসিন্দারা মালামাল সরানোর সময় পাননি। তাই এবার আগে থেকেই তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিবরণ
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাট থেকে ছোট ভাকলা ইউনিয়নের অন্তার মোড় পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে। তার মধ্যে অন্তত ৭০০ থেকে ৮০০ মিটার জমি ইতিমধ্যে ভাঙন শুরু হয়েছে।
গত ১ জুন রাজবাড়ী জেলার জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ফেরিঘাট এলাকায় জরুরি ব্যবস্থা নিতে বিআইডব্লিউটিএ ও পাউবো কর্তৃপক্ষকে আদেশ দেন।
ভাঙনকবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে ঝুঁকির বিষয়টি দেখেছি। ভাঙন প্রতিরোধে স্থানীয়ভাবে যতটুকু সম্ভব কাজ করা হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙন রোধে পাউবো কর্মকর্তারা কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন যে শুধু জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। তারা নদী তীরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন।