চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে
চ ন ম য় নম র ব – বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন ঘোষণা করেন যে, দেশটির বৈদেশিক ও কূটনৈতিক নীতি চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করে। তিনি তুলে ধরেন যে, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ স্থাপন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের দিকে সম্পূর্ণ গুরুত্ব দিয়ে চলছে। এই প্রক্রিয়া দ্বারা চীন ও মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে নৌ যোগাযোগের সাথে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে রপ্তানি ও আমদানি বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং সামরিক সম্পর্ক
চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া সামরিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রতি বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন বলেন যে, চীন ও মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ প্রকল্পের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশ চীন ও ভারত থেকে আমদানি করে এবং আমেরিকা ও ইউরোপে রপ্তানি করে। মধ্যপ্রাচ্য এবং মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স আয় করে। এই অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন ঘোষণা করেন যে, ভূ-রাজনৈতি আমাদের প্রধান লক্ষ্য নয়, বরং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আমাদের অগ্রাধিকার। চীন আমাদের সামরিক ও রাজনৈতিক অবস্থানকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশ চীন ও ভারত থেকে আমদানি করে এবং আমেরিকা ও ইউরোপে রপ্তানি করে। মধ্যপ্রাচ্য এবং মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্স আয় করে। এই প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ প্রকল্প গঠিত হয়।
আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার হিসেবে রয়েছে, যার মধ্যে বৃহৎ অংশ আমদানি নির্ভর। তথ্যমন্ত্রী বলেন যে, চীন আমাদের এই স্থিতিকে বৃহৎ গুরুত্ব দিয়েছে। চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সামরিক সম্পর্কের মাধ্যমে চীন দেশটির দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘লং লিভ বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ’ সেমিনারে তথ্যমন্ত্রী বলেন যে, চীন ও মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সামরিক ও রাজনৈতি�