আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খুদে বিজ্ঞানীদের মেধায় গড়ে উঠবে
শিক্ষার্থীদের অদম্য ইচ্ছার কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন
খ দ ব জ ঞ ন দ – সামাজিক ও নৈতিক মান উন্নয়নের জন্য এবং ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত প্রতিভার উন্নতির উদ্দেশ্যে লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস শিক্ষার পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। সেই মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘সুপ্ত প্রতিভারা একদিন বিশ্বের বুকে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে উঠবে।’ সংবাদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রতিযোগিতা। এই বিজ্ঞান মেলার ঢাকা জেলা পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে আজ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সফল মডেল ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতা শুধু ঢাকায় নয়, সমগ্র দেশের ৬৪টি জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।’ তিনি জানান যে এতে সারা দেশ থেকে প্রায় ১২,০০০ টিমে আসার জন্য সাধারণ ও কর্মমুখী প্রতিভাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং ‘সুরভী’ এই আয়োজনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃত।
‘মানুষ কখনো ব্যর্থ হয় না; হয় সে জিতবে, না হলে সে শিখবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, এই সৃজনশীল প্রতিযোগিতার অস্তিত্ব অবহেলার মাঝেও প্রতিভাকে ধারণ করে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবহেলিত বিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে প্রতিকূলতার মাঝেও শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাশক্তি বিকাশ ঘটিয়েছে।
স্কুলগুলোর দুরবস্থার পরিচয়
তার বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান পরিচয় দেন সামান্য আয়ের বিদ্যালয়গুলোর অবস্থা। তিনি বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে অবহেলার কারণে অনেক স্কুলের অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে।’ তবে শিক্ষার্থীরা কষ্টের মাঝেও শিক্ষা বন্ধ করেনি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগী ভূমিকা পালন করছেন বলে তিনি মনে করেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী উদ্ভাবনী কাজ দেখা হয়েছে।
জেলা পর্যায়ে শিক্ষার সমারোহ
অনুষ্ঠানটি বিএএফ শাহীন কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। তেজগাঁওস্থিত শাহীন হল মিলনায়তনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা প্রদর্শন করে। অতিথিরা স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং মেধার উপর প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আগামী বাংলাদেশে সৃজনশীল ও আধুনিক শিক্ষাক্রমের জন্য অভিনব পদ্ধতি