Bangladesh

সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙন, লোনাজলের আতঙ্কে উপকূল

bf707956-fab3-4c68-8889-5cb1eaa68abf-0

সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙন, লোনাজলের আতঙ্কে উপকূল

Banglabeacon.com – স তক ষ র য় ব ধ – সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙনের আতঙ্ক বর্তমানে উপকূলীয় এলাকাগুলিতে চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। মৌসুমী বৃষ্টিপাতের সাথে সাথে শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ জরাজীর্ণ বাঁধ, নদীর তীব্র স্রোত ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে অস্থির হয়ে পড়েছেন। সাতক্ষীরার নানা এলাকায় বাঁধের ভাঙন ঘটার পরিস্থিতি এখন এতটাই গুরুতর হয়ে উঠেছে যে স্থানীয় মানুষের মধ্যে প্রাণঘটনা সংকটের আশংকা ছাড়া থাকে না।

সাতক্ষীরার বাঁধ কীভাবে ধ্বংসপ্রায় হয়ে উঠেছে?

আশাশুনি উপজেলার মরিচ্চাপ নদীর সংলগ্ন এলাকায় সাতক্ষীরার বাঁধে ৪০ ভাঙন ঘটেছে। প্রতিটি বাঁধ এখন স্থায়িত্বের সাথে প্রতিযোগিতা করছে। তেঁতুলিয়া সেতু সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, পাশাপাশি প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া, হরিষখালী ও চাকলার পাশাপাশি আনুলিয়া ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বাঁধের ধসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কুড়িকাহুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, “কপোতাক্ষের ভাঙনের পর আমরা ভিটেমাটি হারিয়েছি। এখন যে নতুন জায়গায় আছি, সেখানেও নদীর ঢেউ আছড়ে পড়ছে। আবার পথে বসতে হবে হুকুম হয়েছে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে যে সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙনের কারণে উপকূলীয় এলাকাগুলির স্থিতিশীলতা ভেঙে গেছে। বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, তাঁর অধীনস্থ বাঁধের মধ্যে শ্যামনগর উপজেলার কিছু অংশে সংস্কার কাজ চলছে। বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তায়কিয়া বলেন, প্রতাপনগর ও আনুলিয়া ইউনিয়নে বাঁধের ধসের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকছে। বাঁধের ক্ষেত্রে অপরিষ্কার অংশ প্রায় ১৫ কিলোমিটার। তার মধ্যে অপরিষ্কার অংশে সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙনের কারণে প্রতিটি মানুষ সাবধান থাকতে বাধ্য হয়েছে।

লোনাজলের প্রভাব কী রকম?

সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙন ঘটার পর এলাকাগুলিতে অবিকল ভাবে লোনাজলের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাধব দত্ত বলেন, “প্রতিবছর অস্থায়ী সংস্কার করে সরকারি অর্থ বেশি ব্যয় হচ্ছে। সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙন এখন স্থায়িত্বের অভাব হয়ে উঠেছে। এমনকি উপকূল রক্ষার জন্য টেকসই ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ ছাড়া অন্য বিকল্প নেই।”

বিশেষজ্ঞদের মতে সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙন এবং প্রতিবছর অস্থায়ী সংস্কার করা দুর্ভাগ্যজনক। উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে ভয় অব্যাহত থাকছে। কয়েক দিন ধরে তীরে আমাদের পথ আছড়ে পড়ছে। সাতক্ষীরায় বাঁধে ৪০ ভাঙনের পর স্থানীয়দের এতটাই আতঙ্কিত করেছে যে সেই সাথে জনসাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে গেছে।

জনসাংগঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *