অতিরিক্ত সময়ের নাটকে পর্তুগালকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টারে স্পেন
অত র ক ত সময় র ন – টেক্সাসের ডালাসে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে সমাপ্ত হয়েছিল অপরিসংখ্যান স্নায়ুযুদ্ধে। দুই দলের কেউই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল করতে পারেনি। ম্যাচের শেষ দিকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের সময়ে স্পেনের মিকেল মেরিনো দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট থেকে শট নিয়ে গোল করেন, যা পর্তুগালকে অতিরিক্ত সময়ে হারিয়ে স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেয়।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের আক্রমণের তীব্রতা ছিল। ৩ মিনিটে স্পেনের মিকেল ওয়ারাজাবাল একটি শট নেন, যেখানে পর্তুগিজ গোলরক্ষক ডিয়েগো কস্তা দারুণ দক্ষতায় বল রক্ষা করেন। পরবর্তী সময়ে লামিনে ইয়ামালের ক্রস থেকে স্পেনের কোনো খেলোয়াড় বাইরে না থাকায় পর্তুগালের দৃঢ় প্রতিরোধ দেখা যায়। ৮ মিনিটে ওয়ারাজাবাল আবার শট নেন, কিন্তু গোলপোস্টে আঘাত লাগার আগে বল পোস্টের বাইরে চলে যায়। ১২ মিনিটে পর্তুগালের প্রথম সুবর্ণ সুযোগ আসে, কিন্তু উনাই সিমন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর শটকে সেভ করে গোল রক্ষা করেন।
প্রথমার্ধে স্পেন ৫৫ শতাংশ বল দখলে রাখে, তবে পর্তুগালও দুই দলের পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘটে। গোল করার সুযোগ আসেনি, ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রুনো ফার্নান্দেসের ফাউল থেকে পর্তুগালকে ফ্রি-কিক পেয়ে একটি অপেক্ষাকৃত সহজ সুযোগ আসে, কিন্তু উনাই সিমন বাঁকানো শটকে লুফে নেন। ম্যাচের গতি বাড়াতে রোবের্তো মার্তিনেজ কৌশলগত পরিবর্তন আনেন। জোয়াও ফেলিক্স ও জোয়াও ক্যানসেলোকে বিদায় দিয়ে রাফায়েল লেয়াও ও ডিয়োগো দালোটকে মাঠে নামান।
৭৩ মিনিটে স্পেনের লামিনে ইয়ামাল ফ্রি-কিক থেকে আবারো কর্নার প্রতিহত করেন। ৭৬ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের শট সাইড নেটে লাগলেও পর্তুগাল গোলবঞ্চিত হয়। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে রেফারি ঘোষণা দেন অতিরিক্ত সময়ের দুই মিনিট। এরপর মিকেল মেরিনো সতীর্থের পাস দুই সেন্টার-ব্যাকের মাঝের ফাঁকা জায়গায় নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ঠান্ডা মাথায় নিচু শটে গোল করেন।
যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে পর্তুগাল সমতা ফেরার শেষ সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু উঁচুতে লাফিয়ে বার্নার্দো সিলভার হেড করলে বল গোলবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো নিজের শেষ বিশ্বকাপে চরম হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়