গোটা বাহিনীকে বিপর্যস্ত করেছে পাপের আঁচ বাড়ানো হারুনের ও বেনজীরের কাজ
৪১ জন র প প ধ কছ – সরকারি নীতিমালার অনুযায়ী সাত আগস্ট থেকে শুরু হওয়া পুনরুত্থান পরিক্রমায় মাঠে থাকা কর্মকর্তাদের মনোবল ভেঙে পড়েছে। এখন পুলিশ বাহিনীর মধ্যে নীরব হাহাকার ও ক্ষোভের ছায়া ছড়ানো হয়েছে। গুটি কয়েক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার প্রভাবে এই বাহিনীতে প্রায় ৪১ জন কর্মকর্তার জীবনে মাঠে বিপর্যস্তির আঁচ ফুটে উঠেছে।
বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রতিদিন বাধ্যতামূলক অবসর নেওয়া হচ্ছে। তবে নিশ্চিত করে দেখা গেছে যে এ ক্ষেত্রে আপনাদের কাছে যে কয়েকজন কর্মকর্তার দায়িত্ব সম্পূর্ণ ভাগে হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক কর্মকর্তার মানসিক অবস্থা ভারসাম্যহীন হয়ে উঠেছে।
ওএসডি ও গ্রেপ্তারের ফলে নীরব হাহাকার
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বাহিনী কয়েক জন কর্মকর্তার দুর্নীতি ও অবসর প্রক্রিয়া নিয়ে গুটি কয়েক জন মাঠের কর্মকর্তাদের ভেতরে খারাপ অবস্থা দেখা দিয়েছে। আগস্ট সালের ৫ তারিখে কারাগারে নেওয়া হয়েছিল বেনজীর আহমেদ ও ডিবি হারুন। তাদের অপরাধের ফলে সাধারণ কর্মকর্তাদের জন্য সারা বাহিনী আপনাদের প্রতি বিশ্বাস ভাঙতে চলেছে।
“২০১৮ সালে জেলা এসপি হিসেবে কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এখন অবসর নেওয়া হলো কারণ রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আকাঙ্ক্ষা করতে হয়েছিল। আমি কারো সঙ্গে দুর্নীতি করিনি।”
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তার নিয়ে কয়েকজন কর্মকর্তা বলছেন, “আমাদের ক্ষোভ আছে। আইনের আওতায় নিজেদের কাজ করেছি, কিন্তু রাজনৈতিক বলির পাঁঠা হলো আমরা।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ ওঠে যে রাতের টহল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মাঠে কর্মকর্তাদের দুর্বলতা দূর করতে সদর দপ্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সাধারণ পুলিশ সদস্যদের একটা বিশেষ দায়িত্ব সম্পূর্ণ চাপে রয়েছে। কারাগারে রয়েছেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন সহ অনেক কর্মকর্তা।
স্থানীয় গ্রামে অপরাধ বাড়ছে, কিন্তু কর্মকর্তাদের মাঝে ভীতি ছড়ানো হয়েছে। এতে আজ প্রায় ১২৩ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। তবে সর্বশেষ অবসর দেওয়া ৩৩ জনের মধ্যে বেনজীর আহমেদ ও ডিবি হারুনের কারণে মাঠের ভীতি ক্ষীয়মান হয়েছে।
এখন পুলিশ সদস্যদের প্রতি বিশ্বাস ছাড়া কাজ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। আগে গোটা বাহিনী সহযোগিতা করতে ভালো ভাবে উৎসাহ প্রকাশ করত। কিন্তু বর্তমান