অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রযুক্তি অপরিহার্য : অর্থমন্ত্রী
অর থন ত ক কর মক ণ – বিশ্বস্ত মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে প্রযুক্তি অপরিহার্য হবে বলে মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেন। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
সরকারি দপ্তরগুলিতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণের সময় এবং অর্থ উভয়ই সংরক্ষণ করা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, ডিজিটাল মাধ্যমে সেবা গ্রহণের প্রবণতা বাড়ানো এবং সরকারি কর্মকর্তাদের এ দিকে প্রোত্সাহিত করা প্রয়োজন।
“যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত দিক থেকে ডিজিটালাইজেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সব জনগণকে এর আওতায় আনতে হবে। ইনক্লুসিভনেস বা অন্তর্ভুক্তি শুধু অর্থনীতিতে হলে হবে না, সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।”
সরকারি সেবাগুলি ঘরে বসে পাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ এগুলো বুঝতে পারেনি। তাই নতুন প্রজেক্ট চালু করার পাশাপাশি জনগণকে সম্পর্কে জনানো যাবে।
সরকার আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং গ্রাহক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে এ প্রদর্শনী আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনস্থ ২৫টি দপ্তর ও সংস্থা মোট ৫০টি উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শন করে।
ডিজিটাল সেবা প্রসারের অগ্রযাত্রা
তদন্তে জানা গেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে এ পর্যন্ত ৩২৯টি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা হয়েছে।
সর্বোচ্চ উদ্ভাবনী উদ্যোগ পুরস্কার
এবারের প্রদর্শনীতে পঞ্চ ভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য পঞ্চ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
- রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: জনতা ব্যাংক পিএলসি
- বিশেষায়িত ব্যাংক: প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- নিয়ন্ত্রক সংস্থা: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)
- অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি)
- অন্যান্য ক্যাটাগরি: পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)