হামে আরও ৫ জনের মৃত্যু, সর্বোচ্চ ঢাকায়
হ ম আরও ৫ জন র ম - গত একদিনে দেশে হামের লক্ষণ নিয়ে পাঁচজন মানুষের প্রাণ গিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে দুইজন ঢাকা বিভাগ
Table of Contents
হামে আরও ৫ জনের মৃত্যু, সর্বোচ্চ ঢাকাতেই
Banglabeacon.com – হ ম আরও ৫ জন র ম – গত একদিনে দেশে হামের লক্ষণ নিয়ে পাঁচজন মানুষের প্রাণ গিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে দুইজন ঢাকা বিভাগ থেকে আসা। একজন করে মারা গেছেন সিলেট, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগের। এই ঘটনায় হ ম আরও ৫ জন র মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে।
মোট মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ল
১৫ মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হামের উপসর্গজনিত কারণে মোট ৭৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৯ জন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৭৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক হিসাব দেখলে দেখা যায়, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকাতে। সেখানে ৩৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে ১২৮ জন মারা গেছেন। রাজশাহীতে ৯১ জন, চট্টগ্রামে ৬২ জন, বরিশালে ৪৭ জন, ময়মনসিংহে ৭২ জন, খুলনায় ৩২ জন এবং রংপুরে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৮৯৫ জন। ঢাকা বিভাগে ৩০৬ জন, রাজশাহীতে ২৯ জন, সিলেটে ৯৪ জন, চট্টগ্রামে ২১৩ জন, বরিশালে ১৩৮ জন, ময়মনসিংহে ৪৮ জন, খুলনায় ৪১ জন এবং রংপুর বিভাগে ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন।
সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে হাম রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২১ হাজার ৯০৮ জনে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৬৯০ জন। দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৪০ হাজার ৭৬ জনে। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৫৪৩ জনের শরীরে।
হাম প্রতিরোধে করণীয়
হাম প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সকল শিশুকে সময়মতো হাম টিকাদান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে এক বছর থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান অগ্রাধিকার পেয়েছে।
হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া হামের প্রধান লক্ষণ। এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে আলাদা রাখা এবং পর্যাপ্ত তরল পানীয় গ্রহণ করা জরুরি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাম প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সকল শিশুকে দুইবার টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশ্নোত্তর
হাম কী এবং এটি কীভাবে ছড়ায়? হাম একটি ভাইরাল রোগ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা ছিঁকনির মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
হামের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী? হামের প্রধান লক্ষণ হলো জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শরীরে লাল দাগ দেখা দেওয়া। এই লক্ষণগুলো সাধারণত সংক্রমণের ১০-১৪ দিন পর দেখা দেয়।
হাম প্রতিরোধে টিকাদান কেন গুরুত্বপূর্ণ? টিকাদান হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। দুইবার টিকাদান নিশ্চিত করলে ৯৭ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব।
হাম আক্রান্ত রোগীকে কীভাবে আলাদা রাখা উচিত? হাম আক্রান্ত রোগীকে অন্তত চার দিন আলাদা রাখা উচিত। রোগীকে ঘরের বাতাস চলাচল নিশ্চিত করতে হবে এবং পর্যাপ্ত তরল পানীয় গ্রহণ করতে হবে।
আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is হ ম আরও ৫ জন র ম?
হ ম আরও ৫ জন র ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does হ ম আরও ৫ জন র ম matter?
হ ম আরও ৫ জন র ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.