সৌদি বধের রাতে ইয়ামাল-ঝড়: ধ্বংসস্তূপ থেকে স্প্যানিশ আর্মাডার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন
স দ বধ র র ত ইয় – প্রথম ম্যাচটিতে কেপ ভার্দের সাথে বিপর্যয়মূলক ড্রয় হওয়ার পর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছিল। নকআউটের টিকিট নিয়ে অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বলতে যা বোঝায়, স্পেনের অবস্থা হয়েছিল ঠিক তাই। বিশ্বমঞ্চে স্থায়িত্ব বজায় রাখার জন্য সৌদি আরবের বিপক্ষে জয়ের কোনো অপশন ছিল না।
যে মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়েই স্পেন নকআউটে এক পা বাড়িয়ে রাখল। সৌদি আরবের বিপক্ষে যে ম্যাচটি বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকতে হলে ছিল সেই ম্যাচে গোল নিয়ে যাওয়া স্প্যানিশ আক্রমণের ঝড় উঠেছিল। প্রথমার্ধের মাত্র ২৪ মিনিটেই প্রতিপক্ষকে ৩-০ গোলে ধ্বংস করে দিয়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তে শিষ্যদের দ্বারা নকআউটে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছিল।
পূর্ববর্তী ম্যাচে কেপ ভার্দে বিপক্ষে ইয়ামাল শুরু থেকে খেলতে পারেনি। শেষ ২০ মিনিটের জন্য তাকে নামানো হয়েছিল, তবে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। সৌদি রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তিনি। ম্যাচটি শেষ হয়েছিল গোলশূন্য ড্রয়ে। কিন্তু আজ আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে কোনো ভুল করতে চাননি স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
নকআউটে যাওয়ার সমীকরণ মেলাতে তিনি শুরুর একাদশেই ইয়ামালকে ফিরিয়ে আনেন। পাশে রাখেন দানি ওলমোকেও। কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে সময় নেননি বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি। ম্যাচের শুরু থেকেই সৌদি জালে গোল হারানোর ঝড় উঠেছিল। একটি পাসের সামনে মাটি কামড়ে আসা বল সৌদি রক্ষণ ধরতে পারেনি। চোখের পলকে দারুণ একটি শটে বল জালে জড়িয়ে দেন ইয়ামাল। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। গ্যালারিতে স্প্যানিশ সমর্থকদের গগনবিদারী উল্লাস ছড়িয়ে পড়েছিল।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ম্যাচের ২১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওয়ারজাবাল। কর্নার কিক থেকে ভেসে আসা বল সৌদি বক্সের সামনে ভাসছিল, তখন ফাঁকায় বল পেয়ে যান তিনি। ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে ২-০ স্কোর করেন। স্পেনের ক্ষুধার্ত আক্রমণ যেন এখানেই থামতে চাচ্ছিল না। সৌদি রক্ষণ পুরোপুরি দিশেহারা হয়ে গেছিল।
ম্যাচের ২৪তম মিনিটে ওয়ারজাবাল নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পক্ষে তৃতীয় গ�