বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধির মূল কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী
সংসদে প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রদান
ব ণ জ য ঘ টত গত – সোমবার (৮ জুন) চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সদস্য জসীম উদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের প্রতিক্রিয়ায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর ঘোষণা করেন যে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি সর্বোচ্চ মার্কিন ডলারে ২৪.১৬ বিলিয়ন হয়েছে। গত পাঁচ অর্থবছরে ঘাটতি প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পায়।
মন্ত্রী ব্যক্ত করেন যে পূর্ববর্তী সরকারের ভুল নীতি এবং আন্তর্জাতিক কারণগুলো ঘাটতির বৃদ্ধির কারণ হয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মূল্য বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অবস্থা এতে প্রভাব ফেলেছে।
রপ্তানি আয় এবং আমদানি ব্যয়ের চিত্র
বাণিজ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে গত পাঁচ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ছিল ৪৫.৩৬ বিলিয়ন ডলার, ৬০.৯৭ বিলিয়ন ডলার, ৫৩.৯২ বিলিয়ন ডলার, ৫১.১১ বিলিয়ন ডলার এবং ৫৫.১৯ বিলিয়ন ডলার। আমদানির ব্যয় ছিল ৬১.৬০ বিলিয়ন ডলার, ৮৯.১০ বিলিয়ন ডলার, ৭৮.২৯ বিলিয়ন ডলার, ৭২.৬১ বিলিয়ন ডলার এবং ৭৯.৩৫ বিলিয়ন ডলার।
সরকারের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করার প্রয়াস
বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটি ২০২টি দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে। বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে।
মন্ত্রী জানান, এই নির্ভরতা কমানোর জন্য সরকার অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে প্রণোদনা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক খাতে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে রপ্তানি বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়। উল্লেখ করেন যে ‘ওয়ান ডিস্ট্রিকট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে যাতে ৬৪ জেলার মধ্যে ১৪টি পণ্য চিহ্নিত করা হয়