Bangladesh

মাইকের শব্দ কমাতে বলায় জবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

জবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে ম ইক র শব দ কম ত - মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুজানগর এলাকার ছাত্রী

Desk Bangladesh
Published July 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

জবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে

ম ইক র শব দ কম ত – মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুজানগর এলাকার ছাত্রী আয়েশা আফরিনের প্রতি সামাজিক সংঘর্ষ ঘটানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সোমবার (৬ জুলাই) কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার ঘটনাটি যাচাই করেছেন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ও আইনি প্রতিক্রিয়া উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিন্তু অত্যাচারের কারণ এখনও স্পষ্ট হয়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী আয়েশার বাসার সামনে অবস্থিত একটি মাজারে চাঁদা সংগ্রহের সময় মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগ তুলে ধরা হয়। উদ্যোগ করেছে ছাত্রী আয়েশা কিন্তু তার কথার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার চেষ্টা করা হয়। অপরাধীদের সম্ভাব্য অভিযোগ ছাত্রী তাদের পরিবেশ বিস্মিত করেছিল যাওয়ার পর হামলা চালানো হয়েছে। এটি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা হিসেবে পরিচিত হয়েছে কিন্তু তিনি আইনি প্রতিক্রিয়া দিতে পারেননি।

হামলার বিবরণ

আয়েশা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ারের বরাতে হাসপাতালে আনা হয়। তার শীর্ষ কপাল ও চোখে ক্ষত হয়েছে যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী এখনও সামান্য ক্ষতিগ্রস্থ অবস্থায় আছেন। মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগ দেখিয়ে তিনি কোনও দম্পতি দ্বারা কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি তার কথা কম করতে চাইলে আইনি বিচার প্রশাসনের কাছে চাই।

“আমি মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগ তুলে ধরেছি কিন্তু তাদের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। আমার পরিবার বর্তমানে কোনও সুরক্ষা পাচ্ছে না। আমার প্রতি অত্যাচার দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবরণ বিস্মিত করেছিল।”

পরিবারের অভিযোগ

আয়েশার মা আছমা আক্তার জানান যে এই ঘটনার আগেও তাদের পরিবার সংঘর্ষে শামিল হয়েছিল। তিনি তার ছোট মেয়েকে মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগ দেখিয়ে পরিবেশে ব্যাঘাত ঘটানো হয়েছে। এর ফলে তার নৃবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী আবেগীয় ভাবে ভয় পেয়েছিলেন। সম্ভবত কোনও সামাজিক গোষ্ঠী বা নিকট সম্পর্কের মাধ্যমে এই হামলা ঘটানো হয়েছে।

আয়েশা স্থানীয় মানুষের মতো পড়ালেখার সময় কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা হয়েছে। তিনি নিজেকে রক্ষা করতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা দেখাচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে সম্পূর্ণ স্থানীয় পরিবেশ কমপক্ষে পাঁচটি ব্যক্তির মাঝে ঘটনা বিস্মিত করেছে।

পরিচালনার প্রতিক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রী আয়েশার ঘটনার প্রতি গুরুতর গুরুত্ব দিয়েছে। নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিনিধি মাইকের শব্দ কম এ অভিযোগ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাদের স্বাক্ষর করেছে। অবিচ্ছিন্ন সম্পর্কের মাধ্যমে ঘটনা ঘটেছে কিন্তু তার দম্পতি কেউ স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

Leave a Comment