ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্প: জীবিত উদ্ধার বেড়ে চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে সহায়তা আসছে না
ভ ন জ য় ল য় ভ – ভেনেজুয়েলায় গত সপ্তাহে দুটি পরপর ভূমিকম্পের পর উদ্ধার অভিযান শেষ হয়নি। এখনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহায়তা স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। স্থানীয় সময়ে মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য বিস্তারিত হয়েছে। প্রতিবেদনটি জানিয়েছে যে বিপর্যয়ের মধ্যে আটকে থাকা মানুষের উদ্ধার বেশিরভাগ ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে।
লা গুয়াইরা বন্দরের বাসিন্দারা তাদের স্বজন ও প্রতিবেশীদের খুঁজতে শাবল, হাতুড়ি ও কোদাল ব্যবহার করছেন। পরিস্থিতি অনুসারে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। সোমবার ভোরে কারাকাস ও লা গুয়াইরায় একটি পরাঘাত সংঘটিত হয়েছে, যার পরিণামে নতুন ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থা পরিমাপ করা যায়নি।
সোমবার দেশটির অন্তর্বতীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এটিকে ভেনেজুয়েলার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে ঘোষণা করেন। তিনি জানান যে প্রায় ২৫ হাজার জরুরি কর্মী, পুলিশ ও সেনাবাহিনী আঘাতগ্রস্ত মানুষের সাহায্যে কাজ করছেন। এখন প্রতিটি জীবন বাঁচানোই আমাদের জন্য বড় অর্জন।
বিবিসি তথ্য দেখিয়েছে যে বুধবার মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের মধ্যে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প উত্তরাঞ্চলের লা গুয়াইরা রাজ্যে আঘাত হানে। এতে প্রায় ৮০০টি ভবন ধসে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার মাত্রা নির্ধারণে রঙভিত্তিক সংকেত পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। তিনি জানান যে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য ইতোমধ্যে অস্থায়ী আশ্রয়শিবির স্থাপন করা হচ্ছে।
বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে যে ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা আসলেও গুরুত্বপূর্ণ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিতদের খুঁজে পাওয়ার আশা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিবিসি তথ্য দিয়েছে যে সোমবার ভোরে কারাকাসের পশ্চিমে অবস্থিত পাহাড়ি অঞ্চল এল জুনকুইতোর বাসিন্দারা রয়টার্সকে জানান যে উদ্ধার অভিযানে খুব কম সরকারি কর্মকর্তাকে দেখা গেছে।
জাতিসংঘের আবাসিক মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা দেল তিনদারো বলেন, ভূমিকম্পের পর ৫০০টিরও বেশি পরাঘাত হয়েছে। �